গত ১০ বছরে বাংলাদেশ ফুটবলের যে উন্নতি হয়েছে তা দেখে খুবই আনন্দিত: ডি ক্রুইফ
লডউইক ডি ক্রুইফ
যশোর অফিস
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৪:২০
এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্ব সামনে রেখে যশোর সদরের হামিদপুরে শামস-উল-হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ফুটবল দলের নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্প চলছে। খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি তুলে ধরতে শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন দলের প্রধান কোচ লডউইক ডি ক্রুইফ। তিনি অ্যাকাডেমির অবকাঠামো ও পরিবেশের প্রশংসা করে বলেন, খেলোয়াড়দের উন্নয়নের জন্য ভালো প্রশিক্ষণ, থাকা-খাওয়া ও পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবহাওয়ার কারণে মাঠে অনুশীলনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও সার্বিক প্রস্তুতি ভালোভাবেই এগোচ্ছে।
ডি ক্রুইফ বলেন, বয়সভিত্তিক ফুটবলে শুধু জয় নয়, খেলোয়াড়দের দক্ষতা ও মানোন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ। তবে উন্নয়নের পাশাপাশি আসন্ন বাছাইয়ে ভালো ফল করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেওয়াই দলের প্রধান লক্ষ্য।
বাংলাদেশ ফুটবলের সাম্প্রতিক উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সঠিক প্রশিক্ষণ, ধৈর্য ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তরুণ ফুটবলারদের আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এ কোচ বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ ফুটবলের যে উন্নতি হয়েছে তা দেখে আমি খুবই আনন্দিত। মামুনুল, জাহিদ, জামাল, তপু কিংবা সোহেল রানার মতো খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। বাফুফেতে যে পরিবর্তনগুলো এসেছে, আমি মনে করি তা ফুটবলের সার্বিক উন্নতির জন্যই কল্যাণকর এবং বাংলাদেশের ফুটবলের সামগ্রিক পরিবেশ ক্রমশ আরও ভালো হচ্ছে।
ডি ক্রুইফ আরও বলেন, ব্যক্তিগত কারণে এবং বাবার মৃত্যুর পর পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনার জন্য আমাকে বাংলাদেশ ছাড়তে হয়েছিল। পরবর্তীতে আমি নাইজেরিয়ায় ২ বছর স্কাউটিং, একাডেমি এবং একাডেমি খেলোয়াড়দের উন্নয়নের কাজ করি, যেখান থেকে খেলোয়াড়দের ইউরোপের ভালো লিগে খেলার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শামস্-উল-হুদা ফুটবল অ্যাকাডেমির পরিচালক (প্রশাসন) শেখ শামস উল বারী শিমুল, যুগ্ম পরিচালক ও জাতীয় দলের সাবেক গোলকিপার মাসুদুর রহমান টনি।