ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রহরীকে বেঁধে জনপ্রতিনিধির ১৬টি গরু ডাকাতি

প্রহরীকে বেঁধে জনপ্রতিনিধির ১৬টি গরু ডাকাতি
×

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানের খামার ফাঁকা করে গেছে ডাকাত। ছবি: সমকাল

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ০৭:৩৬

খামারে চাড়ি (খাবার দেওয়ার পাত্রা), খইল, খড়, ভুসিসহ সবকিছু আছে। নেই শুধু খামার ভরা গরু। সব নিয়ে গেছে ডাকাত। খামারে বেঁধে রেখে গেছে দুই প্রহরীকে। তাও আবার যার তার গরু নয়। ডাকাতদল নিয়ে গেছে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের গরু। ঘটনাটি মুক্তাগাছার ডৌয়াখোলা গ্রামের।

খামার থেকে দেশী-বিদেশী জাতের ১৬টি ষাঁড় গরু নিয়ে গেছে ওই ডাকাতদল। শনিবার রাত আড়াইটার ডৌয়াখোলা গ্রামের আরব এগ্রো ফার্মে এ ঘটনাটি ঘটে। খামারটির মালিক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরব আলী। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার কুমারগাতা ইউনিয়নের মালতিপুর সড়কের পাশে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আরব আলী আরব এগ্রো ফিড নামে গরুর খামার দেন। ওই খামারে বড় হচ্ছিল দেশী-বিদেশী ২৬টি ষাঁড়। খামার মালিকের দাবি, গরুগুলোর দাম ২০ লাখ টাকার মতো।

কিন্তু ২০-২৫ জনের ডাকাতদল খামারে হানা দিয়ে দুই প্রহরি আব্দুর রশিদ ও রফিকুল ইসলামকে ভয় দেখিয়ে বেঁধে ফেলে। এরপর গরুগুলো ট্রাকে তুলে চলে যায়।

এগ্রো ফার্মের মালিক ও উপজলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরব আলী বলেন, ঘটনাটি জানার পর তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানান। ঘন্টাখানেক পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। মুক্তাগাছা থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস বলেন, খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। ডাকাতদের ধরতে পুলিশ তৎপর। দ্রুতই গরুগুলো উদ্ধার ও ডাকাতদল আটক হবে বলে আশা তার।

রোববার দুপুরে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) শাহজাহান কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্খিত। পুলিশ তাদের ধরতে সব ধরণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন

×