ঢাকা বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

অনুসন্ধান কমিটিতে জবাব দিলেন ফরিদপুরের ৩ প্রার্থী

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন

অনুসন্ধান কমিটিতে জবাব দিলেন ফরিদপুরের ৩ প্রার্থী

জামাল হোসেন মিয়া, শাহ মো. আবু জাফর ও শামীম হক

ফরিদপুর অফিস

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ২০:১৬

ফরিদপুরে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটিতে জবাব দিয়েছেন শোকজ পাওয়া ৩ প্রার্থী। সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে ওই ৩ প্রার্থী স্ব স্ব নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে লিখিতভাবে এ জবাব দেন।

এ তিন প্রার্থী হলেন- ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শামীম হক, ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল মুভমেন্টের (বিএনএম) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ মো. আবু জাফর এবং ফরিদপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক জামাল হোসেন মিয়া।

এদের জামাল হোসেন মিয়া সশরীরে হাজির হয়ে এবং শামীম হক ও শাহ মো. আবু জাফর তাদের প্রতিনিধির মাধ্যমে ওই জবাব দেন।

শোকজের জবাব দেওয়ার পর জামাল হোসেন মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, আমি লিখিতভাবে আমার ব্যাখ্যা দিয়েছি। আদালতকে জানিয়েছি এ ব্যাপারে সামনে সতর্ক থাকব। ওইদিন মানুষ আমাকে ভালবেসে এসেছিল। এতে আমার নিয়ন্ত্রণ ছিল না।

গত ৩০ নভেম্বর ফরিদপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জামাল হোসেন মিয়া সালথা উপজেলা পরিষদে মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি নগরকান্দার তালমা ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামের বাড়ি থেকে মোটর শোভাযাত্রা করে মনোনয়ন জমা দিতে যান। এ সময় তার সঙ্গে কয়েক হাজার সমর্থক ছিল।

এ ঘটনায় ফরিদপুর-২ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়্যারম্যান ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী জজ (সদর) কাঞ্চন কুমার কুন্ডু তাকে শোকজ করেন।

শামীম হকের পক্ষে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির কাছে জবাব দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক আলী আজগর মানিক। তিনি বলেন, আমরা লিখিত জবাব দিয়েছি। আমরা জানিয়েছি, আমাদের অজান্তে এবং অনাকাঙ্খিতভাবে আমাদের কোনো সমর্থক এ কাজটি করে ফেলেছেন। আগামীতে আমরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকব। নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলব।

ফরিদপুর-৩ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শামীম হককে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (৩য় আদালত) নুসরাত জাবীন নিম্নী রোববার শোকজ করেন।

এতে তার বিরুদ্ধে সদর উপজেলার ভাটি কানাইপুর গ্রামে উঠান বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার ও তার পক্ষে সদরের আরও ৩ জায়গায় ভোট চাওয়ার অভিযোগ আনা হয়।

এদিকে গত ২ ডিসেম্বর আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অভিযোগে শাহ মো. আবু জাফরকে ফরিদপুর-১ আসনের অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. বুলবুল ইসলাম শোকজ করেন।

এ বিষয়ে শাহ মো. আবু জাফর বলেন, আমি প্রতিনিধি গোলাম মনসুরের মাধ্যমে সোমবার বিকেল ৩টার মধ্যে শোকজের জবাব দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমি দীর্ঘদিন পর এলাকায় এসেছি। আমি কাউকে দাওয়াত করে আনিনি। আমি এলাকায় এসেছি শুনে লোকজন সমবেত হয়েছিলেন।

শাহ জাফর বলেন, আমি নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটিকে কথা দিয়েছি, আগামীতে যেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখব এবং নির্বাচনী অচরণবিধি মেনে চলব।

আরও পড়ুন

×