ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘আগের সরকারের দুর্নীতি তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে’

‘আগের সরকারের দুর্নীতি তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে’
×

যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সমকাল

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬ | ২১:১৮

যমুনা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়ক পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি বলেন, আগের সরকারের আমলে বেড়িবাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির তদন্ত করা হবে। সেই সঙ্গে শিগগিরই পরিকল্পিতভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

শুক্রবার বিকেলে গোপালপুর উপজেলার নলীন বাজারের উত্তরে শাখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত দিনে যে সরকার ছিল, তারা ছিল ফ্যাসিবাদী। তাদের লুটপাট ও দুর্নীতির কারণে দেশের জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের বিদায় করেছে। কাজেই তাদের সময়ে হওয়া অনিয়ম ও দুর্নীতির অবশ্যই তদন্ত হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিকল্পিতভাবে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছি। সড়কের ভাঙন ঠেকাতে ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ হাজারের বেশি জিওব্যাগ এবং বড় আকারের টিউব জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। এর ফলে আপাতত নদীভাঙন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।’

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, ভূঞাপুর থেকে টাঙ্গাইল হয়ে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত একটি স্থায়ী প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি রয়েছে এবং সে লক্ষ্যেই কাজ চলছে। একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক নাব্য বজায় রাখতে খাল খনন ও নদী খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। নদীর নাব্য ও স্বাভাবিক গতিপথ ঠিক থাকলে ভাঙনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।

তিনি বলেন, নদীভাঙন রোধে স্বল্পমেয়াদি নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। নদীর নাব্য বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে মানুষের জানমাল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দিন, ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব হাসান, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল মোর্শেদ, ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন প্রমুখ।

আরও পড়ুন

×