ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএমইএসির এক্রিডিটেশন পেল চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ

বিএমইএসির এক্রিডিটেশন পেল চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ
×

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:৩১

আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা, শিক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করার সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব ফেডারেশন অব মেডিকেল এডুকেশন (ডব্লিউএফএমই) স্বীকৃত বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন এক্রিডিটেশন কাউন্সিলের (বিএমইএসি) এক্রিডিটেশন পেয়েছে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ।

এ স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগে বিশ্ব স্বীকৃত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা দাঁড়াল দুইটিতে। এর আগে এ স্বীকৃতি পেয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন সবুজ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।

বিএমইএসি থেকে পাওয়া এ স্বীকৃতির ফলে দেশের মোট আটটি মেডিকেল কলেজ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের এ স্বীকৃতির আওতায় এলো। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের দুটি প্রতিষ্ঠানের একটি সরকারি এবং অন্যটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ।

বিএমইএসি সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের লক্ষ্যে দেশের ২১টি মেডিকেল কলেজ এক্রিডিটেশনের জন্য আবেদন করে। মানদণ্ড পূরণের বিষয়গুলো যাচাই ও পর্যালোচনা করতে প্রতিটি মেডিকেল কলেজে সরেজমিন পরিদর্শন করে বিএমইএসির টিম।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনের সময় পড়ালেখার মান, গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা, অবকাঠামোগত ব্যবস্থা এবং হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। টানা কয়েকদিনের পরিদর্শনে শিক্ষার পরিবেশ ও চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন দিক মূল্যায়ন করেন কমিটির সদস্যরা।

বিভিন্ন ধাপে মূল্যায়নের পর চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজকে এ স্বীকৃতির জন্য মনোনীত করা হয়।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, ‘এমন অনন্য অর্জনে আমরা প্রথমত আনন্দিত। এটি চট্টগ্রামবাসীর জন্যও অনেক গর্বের ও প্রাপ্তির। এই এক্রিডিটেশন শুধু একটি প্রশংসাপত্র নয়, এটি আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। বিএমইএসি নির্ধারিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিজেদের উন্নীত করার স্বীকৃতি হিসেবেই আমরা এটিকে দেখছি।’

তিনি বলেন, বিএমইএসির টিমের সদস্যরা টানা কয়েকদিন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা পড়ালেখার মান থেকে শুরু করে অবকাঠামোগত বিষয়সহ পুরো ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দিক সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে মতামত নেন।

অধ্যক্ষ বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসীর চিকিৎসা, শিক্ষা ও সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধপরিকর।’
 

আরও পড়ুন

×