ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শোলাকিয়ার পাশে নরসুন্দা নদীর জমিতে বহুতল ভবন

শোলাকিয়ার পাশে নরসুন্দা নদীর জমিতে বহুতল ভবন
×

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৩৬

| প্রিন্ট সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া মাঠের পাশে নরসুন্দা নদীর ওপর নির্মিত সেতুর কাছে নদীর জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের বয়লা এলাকায় কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়ক ঘেঁষে এই ভবনটি নির্মিত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১২ সালে প্রায় ১১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নরসুন্দা নদী উন্নয়ন প্রকল্প শুরু হয়। এলজিইডির তত্ত্বাবধানে নদী খনন, মুক্তমঞ্চসহ কয়েকটি সেতু ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তদন্তও করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। কাজ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পটির তেমন রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। এই সুযোগে নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা ও তীরের জায়গা দখল চলছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, প্রকল্পের আওতায় শোলাকিয়া ঈদগাহে আসা মুসল্লিদের জন্য বয়লা এলাকায় একটি সেতু নির্মিত হয়। সেতুটির দক্ষিণের মাথার পূর্ব পাশে কিশোরগঞ্জ-করিমগঞ্জ সড়কের ওপর রতন মিয়া নামে এক কুয়েত প্রবাসী বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। ওই ভবনের অনেকটা অংশ নদীর ভেতর ঢুকে গেছে।

নদীর উত্তর পারের বাসিন্দা সাবেক পৌর কাউন্সিলর আবু নাসের হিলালী মিন্টুর ভাষ্য, ভবনটি করার সময় নদীর কিছুটা জায়গা দখল করা হয়েছে। প্রশাসন নদীর সীমানা নির্ধারণ করে তীরের স্থাপনাগুলোর বাড়তি অংশে লাল দাগ দিয়েছিল। সেই লাল দাগ পার হয়ে রতন মিয়ার ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, পৌরসভা কোনো নতুন ভবনের অনুমোদন দেওয়ার সময় সার্ভেয়ার গিয়ে মাপজোখ করে সীমানা নির্ধারণ করে দেন। এর পরই পৌর কর্তৃপক্ষ নকশার অনুমোদন দেয়। নদীর পারের কোনো বাসিন্দা যদি নদীর কিছু জায়গা দখল করে নেন, তখন পৌরসভার পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো এখতিয়ার থাকে না। কারণ নদীটি পৌরসভার অধিভুক্ত নয়। সেটি প্রশাসন বা সরকারের অন্যান্য বিভাগ দেখতে পারে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান মারুফকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে জানিয়েছেন, তিনি সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) পাঠাবেন সরেজমিন বিষয়টি দেখার জন্য। দখলের প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

আরও পড়ুন

×