ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দোহারে ব্যবসায়ী নজরুল হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

দোহারে ব্যবসায়ী নজরুল হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
×

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০১৯ | ১৫:২০

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ঢাকার দোহারের কাপড় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম হত্যা মামলায় ১৫ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক প্রদীপ কুমার রায় বুধবার এ আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সিরাজ ওরফে সেরু কারিগর, মিনহাজ ওরফে মিনু, খলিল কারিগর, শাহজাহান কারিগর, কালু ওরফে কুটি কারিগর, আজহার কারিগর, মিরাজ উদ্দিন, মোজ্জামেল ওরফে সুজা, জালাল, বিল্লাল, আবদুল লতিফ, দিদার (পলাতক), এরশাদ (পলাতক), আবদুল জলিল কারিগর (পলাতক) ও ইব্রাহিম (পলাতক)। রায়ে আসামিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক দুই আসামি হচ্ছেন- চায়না বেগম, মজিদুল ওরফে মাজেদ। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও সাজা পরোয়ানা ইস্যু করতে আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার পর উপস্থিত আসামিদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বাদী তার অভিযোগে বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা করে আসামিরা। তার স্ত্রী ও মা বাধা দিতে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।

২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল নজরুলের মামা ডা. নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ দোহার থানায় এ মামলা করেন। পরে একই বছরের ২৬ জুলাই জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই আনোয়ারুল করিম ১৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির বিচার চলাকালে ফৈমুদ্দিন নামে এক আসামি মারা যান। পরে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ জনে।

২০০৯ সালের ২৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আদালতে ১৪ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন কাজী শাহানারা ইয়াসমিন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান ও আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন

×