ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

জাকাতের অর্থে বহুমুখী সেবা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের

জাকাতের অর্থে বহুমুখী সেবা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের

বান্দরবানের লামায় কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্কুল ও কলেজ। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | ০৪:৫৭

জাকাত ও অন্যান্য আর্থিক অনুদানে বহুমুখী সেবা দিয়ে যাচ্ছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। সেবার মধ্যে রয়েছে- মাতৃমঙ্গল কার্যক্রম, গৃহনির্মাণ, হাফেজিয়া মাদ্রাসা, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের বিনামূল্যে রক্ত সরবরাহ, বস্ত্র বিতরণ, স্বনির্ভরায়ন কার্যক্রম, চিকিৎসাসেবা, সুবিধাবঞ্চিতদের শিক্ষা দেওয়া, প্রবীণসেবা ইত্যাদি।

মাতৃমঙ্গল কার্যক্রমের আওতায় সামর্থ্যহীন সন্তানসম্ভবা নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি সরবরাহ করা হয়। যেন তারা সুস্থ সন্তান প্রসব করতে পারেন। ঢাকার মিরপুর, চট্টগ্রাম, বগুড়া ও বান্দরবানে এ পর্যন্ত ৪৪ হাজার ৮৯১ জন অসচ্ছল বা সামর্থ্যহীন প্রসূতি নারীকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বান্দরবানের লামায় ছেলে-মেয়েদের জন্য আলাদা হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া একই স্থানে আছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজ। যেখানে ২০০০ সাল থেকে লেখাপড়া করছে এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা। ক্রমশ এর পরিসর বিস্তৃত হচ্ছে। 

ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সন্তানদের জন্য পরিচালিত স্কুল ‘আদর্শ বিদ্যাপীঠ’ এর ব্যয়ভার বহন করছে কোয়ান্টাম। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭৯৫ জন শিক্ষার্থীর পড়াশুনার খরচ দেওয়া হয়েছে। সারাদেশে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

গৃহনির্মাণ কার্যক্রমের আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্বলহীন ৩ হাজার ১৫৯ টি পরিবারকে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

 আর থ্যালাসেমিয়া রোগীদের নিয়মিত বিনামূল্যে বা স্বল্প প্রসেসিং খরচে সরবরাহ করা হয় রক্ত। শুধু ২০২৩ সালে বিনামূল্যে ২ হাজার ৯৭৮ ব্যাগ ও স্বল্পমূল্যে ১০ হাজার ৬১৫ ব্যাগ রক্ত সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সারাদেশে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৯১২টি। 

স্বনির্ভরায়ন প্রকল্পের আওতায় সহায়তা করা হয়েছে ৩৫ হাজার ২০ জনকে। ভ্যান, সেলাই মেশিন, অটোরিকশা ও ছাগল কিনে দিয়ে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করা হয়েছে।

বান্দরবানের লামা ও সদর উপজেলার রাজবিলায় রয়েছে প্রবীণসেবা কার্যক্রম। বৃদ্ধাশ্রম ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দেওয়া হয় অসহায় প্রবীণদের।

 দরিদ্র রোগীদের জন্য রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা এবং চক্ষুসেবা। এ পর্যন্ত ৬ লাখ ২৩ হাজার ৬৭৩ জন দরিদ্র রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। 

অনলাইনে জাকাতের অর্থ পাঠানোর সুযোগ আছে। এছাড়া সরাসরি কোয়ান্টামের যেকোনো শাখায় বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দান করা যায়।
 

আরও পড়ুন

×