তালিকায় নেই নগদ ও কড়ি
ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য ১২ আবেদন
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৫ | ০৬:৫৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১২টি আবেদন পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিগত সরকারের সময়ে অনুমোদন পাওয়া নগদ ডিজিটাল ব্যাংক এবং কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক আবেদন করেনি। ফলে প্রতিষ্ঠান দুটি আপাতত ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না। কেননা এ দফা আবেদনের তারিখ শেষ হয়েছে গত ২ নভেম্বর।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৩ সালের আগস্টে নগদ ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসির নামে সম্মতিপত্র (এলওআই) ইস্যু করা হয়। সব ধরনের শর্ত পূরণ করে গত বছরের জুনে নগদ ব্যাংক পিএলসির নামে চূড়ান্ত লাইসেন্স ইস্যু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সরকার পতনের পর তথ্য যাচাই করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখতে পায়, বিদেশি ৯টি শেল কোম্পানির আড়ালে পাচারের টাকায় ব্যাংক দুটি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। যে কারণে নগদ ব্যাংক পিএলসির লাইসেন্স স্থগিত করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর কড়ির নামে লাইসেন্স ইস্যু করা হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী হলে এ দফায় নগদ ও কড়িকে আবেদন করতে হতো। কেননা বিতর্কের কারণেই প্রতিষ্ঠান দুটির লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া পরে অনেক শর্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আবার আগের নিয়মে ১২৫ কোটি টাকার মূলধনের কথা বলা হলেও এবার ৩০০ কোটি টাকা মূলধনের শর্ত দেওয়া হয়েছে।
আবেদন করা ব্যাংকের প্রস্তাবিত নাম হলো– বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফারমার্স, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই।
ডিজিটাল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ছাড়া কোনো ব্যবসায়িক কেন্দ্র থাকবে না। এটিএম বুথ, সিআরএম বা এ ধরনের কোনো কিছু বসানো যাবে না। আমানত, ঋণসহ সবই করতে হবে ডিজিটাল। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান কেবল ভার্চুয়াল কার্ড ইস্যু করতে পারবে।
- বিষয় :
- ডিজিটাল ব্যাংক