শিক্ষকদের কোচিং-প্রাইভেট বন্ধ চান কাজী খলীকুজ্জমান
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২২ | ১৩:৩৯ | আপডেট: ১৩ মে ২০২৩ | ০৭:০১
প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে শিক্ষকদের কোচিং-প্রাইভেট বন্ধের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও পিকেএসএফের চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ।
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন, ২০২২ বিষয়ে নাগরিক সমাজের 'অবস্থানপত্র' নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মোর্চা গণসাক্ষরতা অভিযান ও এডুকেশন ওয়াচ যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
বর্তমানে দেশের শিক্ষা কার্যক্রম নোট-গাইড পড়ে মুখস্থ করে পরীক্ষা দেওয়া এবং জিপিএ-৫ ভিত্তিক বলে মন্তব্য করেন খলীকুজ্জমান।
তিনি বলেন, এখানে শিক্ষা কীভাবে হয়? একটি হচ্ছে, নোট-গাইড পড়ে মুখস্থ করে পরীক্ষা দেয়, জিপিএ ৫ ভিত্তিক শিক্ষা।
তিনি আরও লেন, পরীক্ষা দিতে দিতে শেখার সময় নেই। শিক্ষার্থীর মা-বাবা, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা হয়, কতটা জিপিএ ৫ পেল? কাজেই জিপিএ ৫ পাওয়ার জন্য মুখস্থ করানো হয়। এর বাইরে কিছু জানে না। কিন্তু আসল শিক্ষা হচ্ছে, যা পড়ে বোঝা যাবে, বোঝার পর বিবেচনায় ও চিন্তা-ভাবনা করতে হবে এবং প্রশ্ন উত্থাপন করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, শিক্ষা আইনের খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে গেছে কিনা, তা সরকার তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। এ জন্য তাঁদের প্রধান দাবি- যদি এটি চূড়ান্ত হয়েও থাকে, তাহলেও যেন এটি জনসমক্ষে প্রকাশ এবং মতামতের সুযোগ করে দেওয়া হয়।
রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, কোচিং-বাণিজ্য কোনোভাবেই বৈধতা দেওয়া যাবে না। তবে যেসব কোচিং সেন্টারে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিউশনি করিয়ে অর্থ আয়ের সুযোগ পান, সেগুলো চলতে পারে বলে তিনি মনে করেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি সদস্য কাজী ফারুক আহমেদ।