৪০০ টাকার কমে মিলছে না কাঁচা মরিচ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৩ | ১৮:০০ | আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৩ | ০৪:৩৯
অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে কাঁচা মরিচের দাম। এক দিন কমে তো পর দিন আবার বেড়ে যায়। তার পর দিন হয়তো আবার কমে যায়। দাম বাড়া-কমার হারেও থাকে ব্যাপক ফারাক। বাজারভেদেও দামের ব্যবধান অনেক বেশি।
তবে কারওয়ান বাজারের চেয়ে অন্যান্য বাজারে দামে বিস্তর ফারাক দেখা গেছে। মহাখালী কাঁচাবাজার, মগবাজারসহ অন্যান্য জায়গায় ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি হতে দেখা গেছে। এসব বাজারে গত দুই-তিন দিন এ দরের আশপাশেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। কোরবানি ঈদের আগে আমদানি বন্ধের অজুহাতে বেড়েছিল মরিচের দাম। ঈদের পর দাম আরও হু হু করে বেড়ে ঢাকায় ৬০০ টাকা অতিক্রম করে। তবে দেশের কোথাও কোথাও হাজার টাকা ছুঁয়েছিল দাম। এরপর ভারত থেকে আমদানির খবরেই দাম অর্ধেকে নেমে গেছে। তবে পর দিনই আবার বেড়ে যায়।
টমেটোর দাম বেড়েছে
মৌসুম শেষ হয়ে আসায় কাঁচা মরিচের সঙ্গে টমেটো আমদানিরও অনুমতি দিয়েছে সরকার। আমদানিও হচ্ছে সালাদ তৈরির উপাদানটি। তবে দাম কমেনি। উল্টো বাড়ছে। বাজারে এখন দেশি টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায়। সপ্তাহ খানেক আগে দেশি টমেটো ৭০ থেকে ৯০ টাকা ছিল। এ ছাড়া ভারতীয় টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। আলুর দাম সামান্য কমেছে। এবার আলুর উৎপাদন বেশ ভালো হয়েছে। বাজারে কোনো সংকট নেই পণ্যটির। এরপরও গত সপ্তাহে আলুর দাম বেড়ে ৪৫ টাকায় উঠেছিল। কোথাও কোথাও ৫০ টাকা দরেও বিক্রি হয়েছে। তবে গতকাল কিছুটা কমে ৪০ টাকায় নেমেছে। তবে একসঙ্গে ৫ কেজি কিনলে আরও কম দামে কেনা যায়। অন্যদিকে পেঁয়াজের বাজারে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। দেশি পেঁয়াজের কেজি ৭০ থেকে ৮০ এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে আদার দাম কিছুটা বেড়েছে। বাজারে এখন চায়না আদার দেখা মিলছে না। বেশিরভাগই ইন্দোনেশিয়ার। এ আদা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে।
মুরগি মিলছে কিছুটা সস্তায়
কোরবানির কারণে অনেকের বাসায় গরুর মাংস রয়েছে। ফলে মুরগির বাজারে ভিড় কম। এতে দামও কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়। আর সোনালি জাতের মুরগি কেনা যাচ্ছে ২৫০ থেকে ২৭০ টাকায়। ৮ থেকে ১০ দিন আগে ব্রয়লারের কেজি ১৮০ এবং সোনালি মুরগির কেজি ৩০০ টাকার আশপাশে ছিল। গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ টাকা কমে ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা দরে। তবে বেশিরভাগ গরুর মাংসের দোকান বন্ধ দেখা গেছে। দু-একটি খোলা থাকলেও তারা আগের মতোই ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।