ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে হাতির অভয়ারণ্য গড়ার পরামর্শ

প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে হাতির অভয়ারণ্য গড়ার পরামর্শ
×

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:১২

| প্রিন্ট সংস্করণ

প্রাকৃতিক বন হাতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট আবাসস্থল। তাই শেরপুরের গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্য গড়তে হলে প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে আনা এবং পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত অভয়ারণ্যের ভেতরে থাকা ব্যক্তি মালিকানা জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে অন্যত্র পুনর্বাসন করতে হবে। এসব পরামর্শ দিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এম মনিরুল এইচ খান।

গতকাল শনিবার সকালে নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কের ‘মহুয়া’ রেস্ট হাউসে এক কর্মশালায় অংশ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. এম মনিরুল এইচ খান বলেন, গারো পাহাড়ে যে এলাকাকে অভয়ারণ্য করার চিন্তা করা হচ্ছে, তার বেশির ভাগই বন বিভাগের জমি। সেখানে কিছু প্রাকৃতিক বন রয়েছে, আবার কিছু এলাকায় রয়েছে সৃজন করা বন। অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলে কীভাবে সেখানে প্রাকৃতিক বন ফিরিয়ে আনা ও এর পরিমাণ বাড়ানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, হাতির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল ও চলাচলের পথ নিশ্চিত করা গেলে অভয়ারণ্যের বাইরে জনবসতি এবং ফসলের ক্ষেতে হাতির বিচরণ কমবে। এতে মানুষ ও হাতির সংঘাত, হাতির আক্রমণে মানুষের প্রাণহানি, কৃষকের ফসলের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের আয়োজনে এবং ‘জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন’ প্রকল্পের সহযোগিতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা ইয়াছমিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. এম মনিরুল এইচ খান ও অরণ্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. আব্দুল মোতালেব।
কর্মশালা শেষে ইআরটি সদস্যদের মধ্যে টর্চলাইট ও হ্যান্ড মাইক বিতরণ করা হয়। পরে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
 

আরও পড়ুন

×