জামাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে। হত্যার পর হাঁসুয়া দিয়ে নিহতের চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মালদহ উপজেলার এ ঘটনায় এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালদহের মঙ্গলবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আনন্দ প্রামাণিক। ফরাক্কায় একটি আলমারি কারখানায় কাজ করতেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে তার বনিবনা ছিল না। মাঝে মধ্যেই অশান্তি হত। তা সত্ত্বেও এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিলডাঙা কেশবপুরে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর শনিবার বিকেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরাই তাকে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এ খবর পেয়েই শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে আনন্দকে হত্যার অভিযোগ তোলেন নিহতের ভাবী। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভবে হত্যা করা হয়েছে তার দেবরকে।

আনন্দের ভাবী জানান, আনন্দের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা একবার বলছে, রেলে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। কখনও বলছে, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে আনন্দ, আবার কখনও বলছে সে খুন হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, পারিবারিক অশান্তির কারণেই আনন্দের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাকে খুন করেছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এরই মধ্যে ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই আনন্দের মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।