ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান পদ ছাড়তে বলা হয়েছে কমল নাথকে 

কমল নাথকে কেন পদ ছাড়তে বলল কংগ্রেস 

মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন কমল নাথ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ০৮:০৯ | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩ | ০৯:০৪

মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান পদ থেকে সরে যেতে বলা হয়েছে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথকে। বিধানসভা ভোটে হারের পর দলের সূত্রের বরাত দিয়ে একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি। ভোটে এ রাজ্যে জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল কংগ্রেস। সোমবারের ফলাফলে দেখা গেছে, বিজেপি রাজ্যের ২৩০টি আসনের মধ্যে ১৬৩টিতে জিতেছে যা কংগ্রেসের ৬৬টি আসনের দ্বিগুণেরও বেশি। 

নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রচার কৌশল ও আসন ভাগাভাগি নিয়ে কমল নাথের অনড় অবস্থানকে দুষছেন অনেকেই। দলের কর্মীদের একটি অংশও বলছে- রাজ্যে দলের একজন নতুন মুখ দরকার। কয়েক দশক ধরে কমল নাথ ও দিগ্বিজয় সিং নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তেলেঙ্গানার দিকে ইঙ্গিত করে কংগ্রেস নেতারা বলছেন- যেখানে একজন নতুন তরুণ নেতা রেভান্থ রেড্ডি বিশাল বিজয় এনে দিয়েছেন। 

মধ্যপ্রদেশে জয়ের ব্যাপারে কংগ্রেস এতটাই আশাবাদী ছিল যে, ভোট গণনার দিন সকালে কমল নাথকে অভিনন্দন জানিয়ে পোস্টারও বানানো হয়েছিল। দুপুরর দিকে বিজেপির জয়ের খবর আসতে থাকায় তাদের নামাতে হয়েছিল পোস্টার। কমল নাথের নেতৃত্বে দলটি নিশ্চিত হয়েছিল যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন শিবরাজ সিং চৌহান সরকারের বিরুদ্ধে তারা জয়ী হতে চলেছে। 

বিজেপির জয়ে কংগ্রেসের প্রচার কৌশলের ঘাটতি নিয়ে কথা উঠেছে। নেতারা বলছেন- প্রদেশ কংগ্রেস বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ করেনি। তারা যত জনসভা ও সমাবেশ করেছে তা বিজেপির প্রায় অর্ধেক। এটি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগকে প্রভাবিত করেছে। দলের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। 

কমল নাথের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ- ইন্ডিয়া জোটের শরিক দল সমাজবাদী পার্টিকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পাঁচ থেকে সাতটি আসন দিতে অস্বীকার করা। এটি মিত্র দলগুলোর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। 

ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান ওমর আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘কংগ্রেস মধ্যপ্রদেশের পরিস্থিতি বুঝতে পারেনি। অখিলেশ যাদবকে ৫-৭টি আসন দিলে কী ক্ষতি হতো? তারা এখন কী জিতেছে?

তিনি বলেন, ‘বিধানসভা নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোটের ফলাফল বিচার করে- ভবিষ্যতে যদি পরিস্থিতি এমন হয় তবে আমরা জিততে পারব না।’
 

আরও পড়ুন

×