ঢাকা রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিঁপড়ের সারি কেন দীঘলগাঁও যায়

পিঁপড়ের সারি কেন দীঘলগাঁও যায়
×

শিল্পকর্ম:: সাফায়েত সাগর

অলাত এহ্সান

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:০৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

মাদলা চক থেকে পিঁপড়ের একটা দীর্ঘ সারি প্রতিবছর দীঘলগাঁও যায়। জ্যৈষ্ঠ মাসে এই দৃশ্য অনেকে দেখেছে। তা নিয়ে নানা কথা ছড়িয়েছে। একবার আমি সেই পিঁপড়ের সারি অনুসরণ করেছিলাম। সেখানে একটা ঘটনা কাহিনি করেছিলাম। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের ব্যাপার নয়, আমি কেবল সেই গল্পই লিখছি এখানে—
মাদলা চকের মাটি নিচ থেকে ভিজে উঠছিল দ্রুতই। তবে পিঁপড়েরা তা নিয়ে ভাবছিল না মোটেই। চকের বাদাবন ঘাসের নিচে বেশ চলছিল ওদের জগৎ। খাবারের চিন্তা নেই। গত বছর বন্যাও হয়নি। সাত-আট মাইল দূরে অর্ধবৃত্তাকার একটা দীর্ঘ বেড়িবাঁধ দেওয়া হয়েছে পদ্মার পারজুড়ে। উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত। তাই গত বছর চকে বর্ষার পানি এসেছিল অনেকটা ঘুরে। উল্টো পথে, দক্ষিণের শীর্ণ খাল দিয়ে। তাতে দীঘলগাঁও-করপাড়া গ্রামের ওপাশে কোঠাবাড়ি চকের ঢালুর জমিগুলো ডুবেছিল কেবল। শুধু ইছামতীর মুখটা বন্ধ করে দেওয়ায় নদী ভরে গেছে কচুরিপানায়। পিঁপড়েরা অবশ্য তা নিয়ে ভাবছে না কিছু। একটা ঢিবি জমিতে বাসা তৈরি করতে পারলেই নিরাপদ।
সেই কাজ শেষ না করতেই শুরু হলো প্রবল বৃষ্টি। ব‍্যাপারটা তাদের জানাই ছিল—বর্ষা বেশি হলে চকের সবটুকু উঁচু জায়গাও তলাবে না। কিন্তু এবারের জ্যৈষ্ঠের বৃষ্টি যেন আষাঢ়ের ঢল হয়ে ঝরছিল। এক সকালে পশ্চিমের সেই বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পাওয়া গেল। জলোচ্ছ্বাসের মতো ঝমঝম করে স্রোত আসছিল। মাদলা চকের দিকে সেই পানি সবার আগে বাস্তুহারা করল পিঁপড়েদের। এতই অতর্কিত যে, অনেকে গর্ত থেকেই বের হতে পারেনি। এক ধাক্কায় ভাসিয়ে নিলো তাদের। 
স্রোত বইছিল উত্তর থেকে, আর বাতাসও আসছিল দক্ষিণের। ঢেউয়ে ঢেউয়ে পানি বৃদ্ধি টের পাচ্ছিল পিঁপড়েরা। চোখের সীমায় সবুজের দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। সড়কে ছোট্ট যে সেতুর নিচ দিয়ে চকের পানি এ-পাশ ও-পাশ হতো, প্রবল স্রোতে এক রাতে মস্ত শব্দে ভেঙে পড়ল সেতুটা। সেখানেই পানির ঘূর্ণিতে তৈরি হলো মস্ত কুণ্ড। চকে ভেসে থাকার মতো একটু খড়কুটোও যেন মিলছে না। পিঁপড়েরা বাঁচার জন্য কতগুলো দলে পরিণত হলো। ক্রমাগত তারা ঘুরেই যাচ্ছে যেন। একবার এরা পানিতে ডুবে তো খামচে ওপরে ওঠে, আরেকবার ওরা—এইভাবে তারা ভেসে থাকছে। ঢেউয়ের আঘাতে কেউ একবার ছিটকে পড়লে আর দঙ্গলে ফেরার আশা নেই। কত পিঁপড়ে যে ঢেউ আর স্রোতে ভেসে গেল, তার ইয়ত্তা নেই। ওরা বুঝতে পারছিল—এমন স্রোত-ঢেউ বিক্ষুব্ধ সময়ে ভেসে থাকতে পারা, সুসময়ে পাহাড় ডিঙানোর চেয়েও বড়। তারা ভেসে চলল দীঘলগাঁয়ের দিকে। 
দলপতি আর রানী পিঁপড়ের কী হয়েছে কেউ জানে না। কতদিন যে ভেসেছে তাও জানা নেই। শুধু জানত দীঘলগাঁয়ে খালপাড় আর রাস্তায় পাশে বিস্তর গাছ আছে। স্রোত যদি সেদিকেই ভাসিয়ে নেয় একটা ঠাঁই হতে পারে। নয়তো কোঠাবাড়ি চকের মস্ত ঢেউয়ের নাকানি-চুবানিতেই সলিলসমাধি। 
কিন্তু প্রবল স্রোতে দীঘলগাঁয়ের অনেক গাছ ইতোমধ্যে ভেসে গেছে। পানিতে ডুবে গেছে অধিকাংশ। যে দু-একটা গাছ আছে, তাও পাখপাখালিতে বোঝাই। কোনো গাছে তো পিঁপড়েখেকো প্রাণীও আছে! কিন্তু কোনো আশ্রয় না পেলে যে তারা ভেসে যাবে কোঠাবাড়ি চকে। সেখান থেকে ফেরার আর কোনো আশা থাকবে না। পিঁপড়েরা দেখল, একটা শুকনো মৃতপ্রায় গাছ দাঁড়িয়ে থিরথির করে কাঁপছে। ডালপালা ছিল না বলেই হয়তো স্রোতের মধ্যে টিকে গেছে। তার মাথাটা ঠিক স্বাভাবিক মনে হয় না। সেখানে বেমানান পাতার ছোট্ট একটা ঝুঁটি। তা দেখিয়ে কাঁপতে থাকা গাছটা যেন বলছে—এসো না এদিকে, ভারী বিপদে আছি আমি। কোনো মতে বাঁচতে দাও। 
একের পর এক গাছের আশ্রয় হারিয়ে পিঁপড়েরা তখন প্রায় নিরুপায়! তারা কোনোক্রমে গাছটার ধার ঘেঁষতে পেরে তরতর করে উপরে উঠে যেতে থাকল। গাছটাও তখন মৃতপ্রায়। এতক্ষণ সব সহ্য করে যাচ্ছিল বিনা প্রতিবাদে! বাঁচবেই-বা কত দিন! এর মধ্যে পিঁপড়েরা যদি দুদিন থাকতে পারে, তাতে আর বাধা দেয় কী করে। গাছটা এসব কথা বলল শুরুতেই। আর পিঁপড়েরাও আরও কৃতজ্ঞচিত্তে তা গ্রহণ করছিল। 
এরই মধ্যে একটা উটকো বাতাসে হঠাৎই মাথার পাতাগুলো ঝনঝন করে উঠল। তখনই ঘটল ভয়ংকর কাণ্ডটা। গাছটা তড়িঘড়ি আরেকটু বেঁকে গেল। এবার গাছটা সত্যি কাতর কণ্ঠে কিছু একটা বলতে শুরু করল—চলে যাও তোমরা সরে যাও, এখনই গোড়া উপড়ে যাবে, শিকড়ে জোর পাচ্ছি না, এখনই ভেঙে পড়বে! সরে যাও। এ সময় মাথার ঝুঁটির মতো পাতাগুলো তপ্ত কণ্ঠে বলল—এখনই বিদায় হও তোমরা, নইলে পানিতে গা ডুবিয়ে ভাসিয়ে দেব তোমাদের। পিঁপড়েরা অনুনয় করল—আমাদের থাকতে দাও, আমরা অকৃতজ্ঞ হব না। তবুও গাছটা ঝুঁকে পড়ছিল সামান্য বাতাসের সঙ্গে।
সবাই লাফিয়ে পড়তে যাবে কি, তখন একটি পিঁপড়ে চিৎকার করে উঠল—এখনই লাফিও না, কোথাও গন্ডগোল হচ্ছে। অন‍্যরা সাথে সাথে দাঁড়িয়ে গেল। পিঁপড়েদের ভারেই গাছটা ভেঙে পড়তে পারে মনে হয়নি তার। আর তাদের গায়ে কি অতটা বাতাস লাগে, যে গাছই ভেঙে যাবে? তা ছাড়া বাইরে থেকে বাতাস না এলে তো মাথাটা অমন দুলেও উঠছে না! 
সতর্ক পিঁপড়েটা গাছকে বলল—দেখো, তুমিই আমাদের আশ্রয় দিয়েছো, কিন্তু তুমি কেন কাতর হয়ে কথা বলছো? আর মাথার পাতারা কেন অন্য স্বরে বলছে! 
গাছটা বলল—দেখো আমার মাথা নেই। গত গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকগুলো অবিবেচকের মতো আমার মাথা কেটে দিয়েছে। সেখানটা শুকিয়ে খোল হয়ে গেছে। আমি আর বাড়তে পারছি না।
—সে তো বোঝাই যাচ্ছে। এ কারণেই কি তোমার বেমানান পাতার ঝোপ বানিয়ে নিলে? 
গাছটা সন্ত্রস্ত হয়ে বলল—বুঝতেই পারছো পাতাগুলো বেমানান, মানে ওগুলো আমার না। আমার যখন মাথা ছিল, তখন পরোয়াই করিনি ওকে। ভেবেছি এমনকি! তারপর আমার সিনা বরাবর যখন কেটে দিল, তখন ওরাই আমার মাথা দখল করে নিলো পরগাছার পাতা। 
—তুমি কি মাথা দিয়ে ভাবতে পারোনি, ওরা তোমার কী ক্ষতি করতে পারে! একটা পিঁপড়া বলল বাকলের আড়াল থেকে। 
—আমাদের তো আলাদা করে মাথা নেই। তোমরা যাকে শিখর ভাবো, সেটা আমার বিকাশ। আমাকে ভাবতে হয় সারা শরীর দিয়ে। কারও জন্য তো নির্দয় হতে পারি না আমরা! গাছটা আগের মতোই কাতর কণ্ঠে বলল। যেন বহুদিন পর কাউকে কিছু বলতে পারল সে—আমার তো ডালপালা নেই। ওদের পাতা থেকে এতটুকু সালোক পাই না, নিজেরাই খেয়ে নেয়। এমনকি শিকড় থেকে কষ্ট করে যে রস জোগাড় করি, তার অনেকটাই ওরা শুষে নেয়। আমার শরীরটা শুকিয়ে খড়ি হয়ে যাচ্ছে। 
পিঁপড়েটা বুঝতে পারল বন্ধু গাছটা বিপদে পড়েছে বেশ। সে বলল—ও, এই কথা! আমাদের মধ্যে তো পাতা কাটা সদস্য আছে। এখনই দিচ্ছি ওকে উজাড় করে। বলেই পরগাছা নাশে নেমে পড়ল পিঁপড়েরা। প্রথমে পাতা, তারপর গাছটা জড়িয়ে রাখা লতাও আলগা করে দিল। খানিকবাদেই বাতাসে পরগাছাটা নাচতে গিয়ে পানিতে পড়ে ভেসে যেতে লাগল কোঠাবাড়ি চকের দিকে। 
গাছটা যেন হাঁফ ছাড়ল। সে বলল—এ তো আপাত রক্ষা হলো। কিন্তু তোমরা তো জানো না, বিদ্যুৎ বিভাগের দুষ্ট লোকগুলো আমার গোড়ার চামড়া ছিলে লবণ লাগিয়ে দিয়েছিল। মেরে কাঠখড়ি করার জন্য। তখন থেকেই গোড়া পচে মাজরা পোকা বাসা বেঁধেছে। বর্ষায় না হয় ওরা ডুবে মরেছে। শুষ্ক মৌসুমে ফিরে এসে ঠিকই গোড়া ফোকলা করে ছাড়বে। 
পিঁপড়েরা ভেবে দেখল সত্যি বিপদ তো! তারা আশ্বস্ত করল—এই বর্ষা টিকে থাকলে শুষ্ক মৌসুমেও মাজরা পোকার উপদ্রব রোধে সহায়তা দেবে। আরেকটি পিঁপড়ে বলল—আমরা তো তোমার গোড়ার মাটিও উর্বর করে দিতে পারি। শিকড়ের সুরক্ষা দিতে পারি! তখন দুর্বল শিকড়েও তুমি পূর্ণ রস পেয়ে একদিন শক্ত-সবল হতে পারো। 
গাছটা যেন স্বস্তি পেল। তারপর বলল, তোমরা ভেবো না, মৃত বাকলের ফাঁকে তোমাদের জন‍্য খাবার আছে। খেয়ে নাও। এই বর্ষায় বেঁচে থাকো আগে। 
পিঁপড়েরাও খুশি হলো খাবারের কথা শুনে। আসলে খাবার কিছু নয়, শুষ্ক মৌসুমে গাছের গোড়ায় থাকা পোকাগুলো ওপরে উঠে গেছে। আর আছে বাতাসে উড়ে আসা অন্য গাছের বীজ। যেহেতু গাছের শীর্ষে আর পরগাছার ঝোপ নেই, তাই আর বাইরের বাতাসে গাছটাকেই কেউ কাঁপিয়ে দিচ্ছিল না! পিঁপড়েরা খানিকটা স্বস্তিতে থাকতে পারছিল। মাথার উপদ্রব না থাকায় স্রোতের মধ্যে গাছটাও টিকে থাকছিল কোনোক্রমে। 
বর্ষা শেষ হলো একদিন। পিঁপড়েরা তখনই গাছটা ছেড়ে গেল না। নেমে এলো গোড়ায়। প্রথমে তারা গোড়ায় লবণ দেওয়া অংশের ফাঁক ফোকরে ঢুকে মাজরা পোকার কোনো অবশিষ্ট খেয়ে সাফ করে ফেলল। পিঁপড়ে থাকায় সেখানে আর কোনো পতঙ্গ বাসা গড়ার সুযোগই পেল না। একদল পিঁপড়ে তো শিকড়ের পাশে খুঁড়ে গোড়ায় অক্সিজেন পৌঁছানোর ব‍্যবস্থা করে ফেলল। আরেকদল আশপাশ থেকে মাটি এনে গোড়া পর্যন্ত ঢেকে ফেলল। তাতে গাছের বল আরও বেড়ে গেল। গাছটাও আস্তে আস্তে সজীব হতে শুরু করল। পাতা আর নতুন ডালের কুশি বের করারও সুযোগ হলো। গাছে ভিমরুল আর বিষপিঁপড়েরা বাসা করেছিল। 
তত দিনে তো কয়েক মাস চলে গেছে। তখনই বিদ্যুৎ বিভাগের লোকেরা এলো সঞ্চালন লাইন পরিষ্কার করার জন‍্য। এবার তাদের সঙ্গে কাঠ ব‍্যবসায়ী আর কাঠুরেও আছে। কোনো কোনো গাছ কেটে তারা লরিতে তুলছিল, যেন আগে থেকেই ঠিক করা ছিল কোনটা নিধন হবে। কেবল বিদ্যুৎ সঞ্চালনে বিঘ্নের অজুহাত তৈরি করছিল মাত্র। 
অবশ্য গাছটাও আগে থেকে পিঁপড়েদের আসন্ন বিপদ সম্পর্কে বলে রেখেছিল। সেই মতো প্রস্তুতিও ছিল তাদের। লাইনের জন্য কোনো হুমকি না হলেও বিদ‍্যুৎ বিভাগের লোকগুলো সেই গাছটাকেই লক্ষ‍্যবস্তু বানাল। তারা গাছের কোমরের ওপর থেকে একটা খণ্ড করে তক্তার জন্য আর নিচের অংশ মুথা হিসেবে বেচে দেওয়ার কথা ভাবছিল। সেই লোভে তারা যখনই গাছে চড়তে গেল, তখনই বিষপিঁপড়েরা তাদের আক্রমণ করল। কে জানত, গাছের ওপর থেকে কেটে নেওয়া অংশের খোলে ভিমরুল বাসা বেঁধেছিল। তারাও আক্রমণ করেছিল জোরসে। তাতে পড়ি-কি-মরি নামতে গিয়ে একজন ধপাস হয়ে পড়েছিল নিচে। অন্যরা তো গাড়ি নিয়ে ভোঁ ছুট! গাছটা নিধনের মতলব ছুটে গিয়েছিল একেবারে। এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করছিল পিঁপড়েরা। তারপর অনেকদিন এ-মুখো হয়নি বিদ‍্যুৎ অফিসের লোকগুলো। চোরাই কাঠের কারবারিও না। এবার পিঁপড়েরা বিদায় চাইল গাছের কাছে। তার তখন ভীষণ মন খারাপ। পিঁপড়েরা বলল— আমরা মাটির পিঁপড়েরা। গাছে না থাকার স্বভাব। আমরা পুরোনো এলাকায় ফিরে যাচ্ছি বটে, তবে তোমার গোড়ায় রেখে যাচ্ছি আমাদের বংশধর। কোনো বিপদ হলে তারা খবর দিলে আমরা এসে সাহায্য করব। কিন্তু গাছটা তারা আবার ঠিক চিনবে কী করে, সেই ভাবনায় পড়ে গিয়েছিল সবাই। তবুও দলনেতাকে অনুসরণ করে পিঁপড়ের একটা দীর্ঘ সারি হাঁটা দিল মাদলা চকের দিকে।
গাছও একটা উপহার দিয়েছিল তাদের। গাছটা বলেছিল, পিঁপড়েদের সেবায় সে এখন ফুলসম্ভবা। সে একটা ফুল ফুটিয়ে দেবে। যা গন্ধ মাদলার চক পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। সেই সুবাসে পিঁপড়েদের দিন সুন্দর যাবে। তার গন্ধ শুঁকে দিক ঠিক করে চলতে আসতে পারবে। এখন যে দীঘলগাঁয়ে মরা গাছে ফুল ফোটার কথা লোকের মুখে মুখে, এটা সেই ফুল। কোনো প্রেমিক তার প্রেম প্রকাশের জন্য সেই ফুল এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কোনো প্রসূতি মন ভালো করার জন্য সেই ফুলের গন্ধ কামনা করেন। আর সেই গাছের ফুলের গন্ধ শুঁকে প্রতিবছর পিঁপড়ের সারি দীঘলগাঁও রওনা হয়। 

আরও পড়ুন

×