ফিরে দেখা
ইংরেজের বিপক্ষে বাঙালি ফুটবল দলের প্রথম বিজয়
×
ইকরামউজ্জমান
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২২ | ১২:০০ | আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২২ | ১২:৩৪
একটি সময় বাঙালিরা পৌরুষ প্রকাশের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে ফুটবল মাঠকে। ফুটবলের মধ্যে খুঁজে পেয়েছে জাতীয় জাতীয়তাবাদ, স্বাদেশিকতা, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেরণা, আত্মবিশ্বাস, আস্থা, জাতিগত ঐক্য, স্বাতন্ত্র্য, জড়তা ভঙ্গের উপাদান, জাতিসত্তার জন্ম, আত্মপরিচয় এবং বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতার ইঙ্গিত।
ইংরেজরা মনে করত, বাঙালি দুর্বল, অলস ও ভিতু জাতি। বলত 'ইফেসিনেট'। ইংরেজরা ভেবেছে, বাঙালিরা ফুটবল খেলে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার জালে আবদ্ধ হবে। শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে। এ ছাড়া নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতির তো বিকাশ ঘটাতে হবে ঔপনিবেশিক রাজত্বে। শাসক ইংরেজরা কখনও ভাবতে পারেনি, তাদের কাছ থেকে ফুটবল রপ্ত করে খালি পায়ের বাঙালি দলের কাছে হারতে হবে। আর এই হারটা ভারতীয়দের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনকে ভীষণভাবে নাড়া দেবে। জন্ম হবে আত্মবিশ্বাস, ঐক্য এবং জাতীয়তাবোধের।
ভারতীয়দের বিশ্বাস গাঢ় হয়েছে এই ভেবে, খেলার মাঠে যখন পরাজিত করা সম্ভব হয়েছে- স্বাধীনতা সংগ্রামে পরাজিত করে ভারত থেকে ইংরেজদের বিদায়ও সম্ভব। শাসকগোষ্ঠী স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি, খেলার মাঠের বিজয়কে ভারতীয়রা স্বাধীনতার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখবে। হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ঐক্যের জন্ম হবে ভারত থেকে ইংরেজদের তাড়ানোর সংগ্রামে। 'ইংরেজ ভারত ছাড়' আন্দোলন বেগবান হবে।
ইংরেজরা মাঠে প্রথম ধাক্কা খেয়েছে ১৮৮৯ সালে; কলকাতায় শুরু হওয়া ট্রেডস কাপে। প্রথম বছর একমাত্র বাঙালি ক্লাব হিসেবে অংশ নিয়েছিল শোভাবাজার ক্লাব। শোভাবাজার ক্লাবের অধিনায়ক কালীচরণ মিত্রের অধিনায়কত্বে ইস্ট সারে দলকে পরাজিত করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বড়লাট। বাঙালি দলের জয়ের খবর পরদিন বিলেতের পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।
আইএফসি শিল্ডের খেলা শুরু ১৮৯৩ সাল থেকে। প্রথম বাঙালি দল হিসেবে আইএফএ শিল্ড জিতেছে মোহনবাগান ১৯১১ সালের ২৯ জুলাই শিবদাস ভাদুড়ীর নেতৃত্বে ইস্ট ইয়র্কশায়ারকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। এ বিজয় বাঙালির ফুটবলে জাগরণ এবং বিপ্লব। মোহনবাগানের পক্ষে যথাক্রমে গোল করেছিলেন অধিনায়ক শিবদাস ভাদুড়ী (ফরিদপুর) এবং অভিলাষ ঘোষ (ময়মনসিংহ)।
এখন থেকে ১১১ বছর আগে (১৯১১ সালের ২৯ জুলাই) বাঙালি খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত মোহনবাগানের জয়কে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছিল উন্মাদনা। ভারতীয় ফুটবলে নবযুগের সূচনা। এটি ছিল পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ। ইংরেজ প্রাধান্যকে খর্বকারী ১১ জন ফুটবল সৈনিকের মধ্যে ১০ জন ছিলেন আমাদের পূর্ববাংলার সন্তান।
কলকাতার পাবলিক লাইব্রেরিতে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন ৮ জন। তবে অধিকাংশ ফুটবল গবেষক উল্লেখ করেছেন ১০ জন। আর একজন মুকুলের কথা বলা হয়েছে, তাঁর চার পুরুষ ধরে কলকাতায় বাস। মুকুলের জন্ম ১৮৯৫ সালে, যে বছর মোহনবাগানের জন্ম। মোহনবাগানের স্মরণীয় বিজয়ে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায় উৎসবে মেতে উঠেছিল। কবিতা, গল্প এমনকি উপন্যাস লেখা হয়েছে। রচিত হয়েছে গান। বিজয়ী ফুটবল দলের সাদা-কালো হাজার হাজার গ্রুপ ছবি বিতরণ করেছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বাঙালির দলের অবিস্মরণীয় বিজয় উপলক্ষে পণ্যের বিশেষ ছাড় দিয়েছিল। মোহনবাগানের হয়ে যাঁরা খেলেছিলেন এরা মধ্য এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। কেউ শিক্ষক, কেউ ছাত্র, ইটভাটার মজুর, ছোটখাটো ব্যবসায়ী; আবার কেউ বা সরকারি অফিসের কেরানি।
২৯ জুলাই শুধু দলকে জেতানোর জন্য হাজার মানুষ মাঠে যাননি; খেলার আগে মন্দিরে মন্দিরে পূজা দেওয়া হয়েছে। মসজিদে মসজিদে করা হয়েছে দোয়া। মোহনবাগানের বিজয়ের পর অখণ্ড ভারতবর্ষের মানুষ ইংরেজদের বিরুদ্ধে একে প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে মনে করেছে। স্বাধীনতার মন্ত্রে রাজনীতিবিদরা বছরের পর বছর ধরে মানুষকে যতটুকু উজ্জীবিত করতে সক্ষম হয়েছেন; এর চেয়ে অনেক কম সময়ে পেরেছে ফুটবলের বিজয় মানুষের মধ্যে আত্মোপলব্ধি এবং সচেতনতা সৃষ্টি করতে। পেরেছে মানুষের মধ্যে ঐক্য ও আশার জন্ম দিতে। বাঙালির ফুটবল পৌঁছে গেছে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।
আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে প্রথম স্থানীয় দল। মাঠভর্তি দর্শক; প্রায় সবাই মোহনবাগানের সমর্থক। তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা। যেভাবেই হোক জিততে হবে। সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। খেলা শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই উভয় দলের ক্যাপ্টেন শিবদাস ভাদুড়ী ও জ্যাকসন ঝলসে উঠেছেন। প্রথমে হ্যান্ডবল থেকে পাওয়া 'ফ্রি কিক' থেকে গোল করে অধিনায়ক জ্যাকসন তাঁর দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। মোহনবাগান দল মরিয়া হয়ে মাঠে লড়তে শুরু করে গোল পরিশোধের জন্য। হাজার হাজার মানুষের চিৎকার আর একটাই প্রার্থনা- ইংরেজদের হারাতে হবে। মোহনবাগানের পক্ষে প্রথম শিবদাস ভাদুড়ী গোল করে খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনেন :১-১। খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। মাঠে চূড়ান্ত উত্তেজনা। ঠিক এমনি সময় অভিলাষ ঘোষ দ্বিতীয় গোলটি করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন :২-১।
ফুটবল গবেষক সুকুমার রায় প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ থেকে লিখেছেন, 'ফুটবল মাঠে খেলার শেষ হুইসেল বাজার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে যত ছাতা আকাশের দিকে ছোড়া হয়েছে এবং ছাতা হারিয়েছে ফুটবল মাঠে; এ রকম নজির আর দ্বিতীয়টি নেই।'
শিল্ড বিজয়ী মোহনবাগান দলের খেলোয়াড়রা হলেন- হীরালাল মুখার্জি, রাজেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, নীলমাধব ভট্টাচার্য, মনমোহন মুখার্জি, সুধীর চ্যাটার্জি, এ মুকুল, যতীন্দ্রনাথ রায়, শ্রীশচন্দ্র সরকার, অভিলাষ ঘোষ, বিজয় দাস ভাদুড়ী ও শিবদাস ভাদুড়ী।
ইকরামউজ্জমান: ক্রীড়া লেখক ও বিশ্নেষক
ইংরেজরা মনে করত, বাঙালি দুর্বল, অলস ও ভিতু জাতি। বলত 'ইফেসিনেট'। ইংরেজরা ভেবেছে, বাঙালিরা ফুটবল খেলে নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার জালে আবদ্ধ হবে। শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে। এ ছাড়া নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতির তো বিকাশ ঘটাতে হবে ঔপনিবেশিক রাজত্বে। শাসক ইংরেজরা কখনও ভাবতে পারেনি, তাদের কাছ থেকে ফুটবল রপ্ত করে খালি পায়ের বাঙালি দলের কাছে হারতে হবে। আর এই হারটা ভারতীয়দের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনকে ভীষণভাবে নাড়া দেবে। জন্ম হবে আত্মবিশ্বাস, ঐক্য এবং জাতীয়তাবোধের।
ভারতীয়দের বিশ্বাস গাঢ় হয়েছে এই ভেবে, খেলার মাঠে যখন পরাজিত করা সম্ভব হয়েছে- স্বাধীনতা সংগ্রামে পরাজিত করে ভারত থেকে ইংরেজদের বিদায়ও সম্ভব। শাসকগোষ্ঠী স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি, খেলার মাঠের বিজয়কে ভারতীয়রা স্বাধীনতার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখবে। হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ঐক্যের জন্ম হবে ভারত থেকে ইংরেজদের তাড়ানোর সংগ্রামে। 'ইংরেজ ভারত ছাড়' আন্দোলন বেগবান হবে।
ইংরেজরা মাঠে প্রথম ধাক্কা খেয়েছে ১৮৮৯ সালে; কলকাতায় শুরু হওয়া ট্রেডস কাপে। প্রথম বছর একমাত্র বাঙালি ক্লাব হিসেবে অংশ নিয়েছিল শোভাবাজার ক্লাব। শোভাবাজার ক্লাবের অধিনায়ক কালীচরণ মিত্রের অধিনায়কত্বে ইস্ট সারে দলকে পরাজিত করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। খেলা দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বড়লাট। বাঙালি দলের জয়ের খবর পরদিন বিলেতের পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।
আইএফসি শিল্ডের খেলা শুরু ১৮৯৩ সাল থেকে। প্রথম বাঙালি দল হিসেবে আইএফএ শিল্ড জিতেছে মোহনবাগান ১৯১১ সালের ২৯ জুলাই শিবদাস ভাদুড়ীর নেতৃত্বে ইস্ট ইয়র্কশায়ারকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। এ বিজয় বাঙালির ফুটবলে জাগরণ এবং বিপ্লব। মোহনবাগানের পক্ষে যথাক্রমে গোল করেছিলেন অধিনায়ক শিবদাস ভাদুড়ী (ফরিদপুর) এবং অভিলাষ ঘোষ (ময়মনসিংহ)।
এখন থেকে ১১১ বছর আগে (১৯১১ সালের ২৯ জুলাই) বাঙালি খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত মোহনবাগানের জয়কে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছিল উন্মাদনা। ভারতীয় ফুটবলে নবযুগের সূচনা। এটি ছিল পলাশীর যুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ। ইংরেজ প্রাধান্যকে খর্বকারী ১১ জন ফুটবল সৈনিকের মধ্যে ১০ জন ছিলেন আমাদের পূর্ববাংলার সন্তান।
কলকাতার পাবলিক লাইব্রেরিতে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন ৮ জন। তবে অধিকাংশ ফুটবল গবেষক উল্লেখ করেছেন ১০ জন। আর একজন মুকুলের কথা বলা হয়েছে, তাঁর চার পুরুষ ধরে কলকাতায় বাস। মুকুলের জন্ম ১৮৯৫ সালে, যে বছর মোহনবাগানের জন্ম। মোহনবাগানের স্মরণীয় বিজয়ে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায় উৎসবে মেতে উঠেছিল। কবিতা, গল্প এমনকি উপন্যাস লেখা হয়েছে। রচিত হয়েছে গান। বিজয়ী ফুটবল দলের সাদা-কালো হাজার হাজার গ্রুপ ছবি বিতরণ করেছে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। কয়েকটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বাঙালির দলের অবিস্মরণীয় বিজয় উপলক্ষে পণ্যের বিশেষ ছাড় দিয়েছিল। মোহনবাগানের হয়ে যাঁরা খেলেছিলেন এরা মধ্য এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। কেউ শিক্ষক, কেউ ছাত্র, ইটভাটার মজুর, ছোটখাটো ব্যবসায়ী; আবার কেউ বা সরকারি অফিসের কেরানি।
২৯ জুলাই শুধু দলকে জেতানোর জন্য হাজার মানুষ মাঠে যাননি; খেলার আগে মন্দিরে মন্দিরে পূজা দেওয়া হয়েছে। মসজিদে মসজিদে করা হয়েছে দোয়া। মোহনবাগানের বিজয়ের পর অখণ্ড ভারতবর্ষের মানুষ ইংরেজদের বিরুদ্ধে একে প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে মনে করেছে। স্বাধীনতার মন্ত্রে রাজনীতিবিদরা বছরের পর বছর ধরে মানুষকে যতটুকু উজ্জীবিত করতে সক্ষম হয়েছেন; এর চেয়ে অনেক কম সময়ে পেরেছে ফুটবলের বিজয় মানুষের মধ্যে আত্মোপলব্ধি এবং সচেতনতা সৃষ্টি করতে। পেরেছে মানুষের মধ্যে ঐক্য ও আশার জন্ম দিতে। বাঙালির ফুটবল পৌঁছে গেছে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে।
আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে প্রথম স্থানীয় দল। মাঠভর্তি দর্শক; প্রায় সবাই মোহনবাগানের সমর্থক। তাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা। যেভাবেই হোক জিততে হবে। সেয়ানে সেয়ানে লড়াই। খেলা শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই উভয় দলের ক্যাপ্টেন শিবদাস ভাদুড়ী ও জ্যাকসন ঝলসে উঠেছেন। প্রথমে হ্যান্ডবল থেকে পাওয়া 'ফ্রি কিক' থেকে গোল করে অধিনায়ক জ্যাকসন তাঁর দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে নেন। মোহনবাগান দল মরিয়া হয়ে মাঠে লড়তে শুরু করে গোল পরিশোধের জন্য। হাজার হাজার মানুষের চিৎকার আর একটাই প্রার্থনা- ইংরেজদের হারাতে হবে। মোহনবাগানের পক্ষে প্রথম শিবদাস ভাদুড়ী গোল করে খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনেন :১-১। খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক মিনিট বাকি। মাঠে চূড়ান্ত উত্তেজনা। ঠিক এমনি সময় অভিলাষ ঘোষ দ্বিতীয় গোলটি করে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন :২-১।
ফুটবল গবেষক সুকুমার রায় প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ থেকে লিখেছেন, 'ফুটবল মাঠে খেলার শেষ হুইসেল বাজার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে যত ছাতা আকাশের দিকে ছোড়া হয়েছে এবং ছাতা হারিয়েছে ফুটবল মাঠে; এ রকম নজির আর দ্বিতীয়টি নেই।'
শিল্ড বিজয়ী মোহনবাগান দলের খেলোয়াড়রা হলেন- হীরালাল মুখার্জি, রাজেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, নীলমাধব ভট্টাচার্য, মনমোহন মুখার্জি, সুধীর চ্যাটার্জি, এ মুকুল, যতীন্দ্রনাথ রায়, শ্রীশচন্দ্র সরকার, অভিলাষ ঘোষ, বিজয় দাস ভাদুড়ী ও শিবদাস ভাদুড়ী।
ইকরামউজ্জমান: ক্রীড়া লেখক ও বিশ্নেষক
- বিষয় :
- ফিরে দেখা
- ইকরামউজ্জমান