বেসরকারি উদ্যোগে বনায়ন
১৩ কোটির বেশি চারা বিনামূল্যে বিতরণ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:২৬
| প্রিন্ট সংস্করণ
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব যেমন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও তাপপ্রবাহসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশে বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের গুরুত্ব এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এর ধারাবাহিকতায় দেশের পরিবেশ পুনরুদ্ধার, সবুজ আচ্ছাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে গত ৪৬ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি খাত-সমর্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ চারা বিতরণ কর্মসূচি বনায়ন।
১৯৮০ সালে যাত্রা শুরু করা বনায়ন গত সাড়ে চার দশকে সারাদেশে ১৩ কোটিরও বেশি ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেছে। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে চলতি বছর দেশব্যাপী ৫০ লাখ চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে বনায়নের। দেশের বৃক্ষ ও ভূমির অনুপাত বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশের সহনশীলতা ও জলবায়ু মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে সারাদেশে ১৯টি নার্সারির মাধ্যমে বনায়নের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব নার্সারিতে স্থানীয় পরিবেশ ও মাটির উপযোগী বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন করা হয়। বনায়নের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ৭০:৩০ প্রজাতি বিন্যাস কৌশল, যেখানে দ্রুত বর্ধনশীল বনজ প্রজাতির পাশাপাশি দেশীয় ও ঔষধি গাছকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। গত ৪৬ বছরে বনায়ন সারা দেশের কৃষক, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন নাগরিক ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করেছে। একই সঙ্গে ১১৯টি ঔষধি উদ্ভিদ বাগান প্রতিষ্ঠা করেছে কর্মসূচিটি। ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) নীতির আওতায় এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়ে আসছে। বনায়নের মুখপাত্র আহমেদ রায়হান আহসানউল্লাহ বলেন, ‘চলতি বছর আমরা দেশব্যাপী ৫০ লাখ চারা বিতরণের পরিকল্পনা করেছি, যা দেশের বৃক্ষ ও ভূমির অনুপাত বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আরও সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখবে।’
- বিষয় :
- গাছ