ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টপ এন্ড থেকে বিদায় বাংলাদেশ এইচপির

টপ এন্ড থেকে বিদায় বাংলাদেশ এইচপির
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | ১৬:০৬

অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে নাটকীয় হারের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমির বিপক্ষে মাত্র ১ উইকেটের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে ইরফান শুক্কুরের দল।

রোববার সকালে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ এইচপি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি তারা। আরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন ও সাব্বির রহমানদের কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। বাংলাদেশের ৮ ব্যাটার দুই অঙ্কের রান ছোঁয়ার আগেই সাজঘরে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত ১০১ রানে গুটিয়ে যায় এইচপি দল।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করে ভিক্টোরিয়া ক্রিকেট অ্যাকাডেমি। একপর্যায়ে জয়টা সময়ের ব্যাপার মনে হচ্ছিল। তবে শেষ দিকে দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচে নাটকীয়তা ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ২০ রানের মধ্যে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেন রুবেল-রিপনরা। তবে শেষ পর্যন্ত তীরে এসে তরী ডোবে বাংলাদেশের। ২ বল হাতে রেখে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০২ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়ার দলটি।

সেমিফাইনালে বিদায় নিলেও টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন মোহাম্মদ রুবেল। ৭ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হয়েছেন এই স্পিনার। পাওয়ারপ্লেতে নিয়মিত বল করা রুবেল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের জেইডন লেনক্সের চেয়ে ১০ উইকেট বেশি নিয়েছেন। সেমিফাইনালেও তার স্পিনে ভুগেছে ভিক্টোরিয়া। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

বাংলাদেশের হয়ে উইকেটশিকারির তালিকায় রুবেলের পর আছেন রাকিবুল হাসান। ৫ ম্যাচে বাঁহাতি এই স্পিনারের শিকার ৯ উইকেট। পেসারদের মধ্যে রিপন মণ্ডল ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৮ উইকেট।

ব্যাট হাতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক আরিফুল ইসলাম। ৭ ম্যাচে ২১৯ রান করেছেন তিনি, সঙ্গে রয়েছে দুটি ফিফটি। ১৩৮.৬০ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় তৃতীয় হয়েছেন আরিফুল।

সাব্বির রহমান ৭ ম্যাচে করেছেন ১৮৪ রান, ফিফটি দুটি। তার স্ট্রাইকরেট ১২৪.৩২। তবে শামীম হোসেন, জিসান আলম ও হাবিবুর রহমান প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। শামীম ৬ ইনিংসে ১০৭, জিসান ৬ ম্যাচে ১০২ এবং হাবিবুর ৭ ম্যাচে করেছেন ৮৫ রান। অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরও ব্যাট হাতে ছিলেন নিষ্প্রভ। ৬ ইনিংসে তার সংগ্রহ মাত্র ৭২ রান।

আরও পড়ুন

×