দুপুরে আউয়ালের জামিন নাকচ বিচারক বদলি বিকেলে
সাবেক এমপির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নান। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ আদেশের পর বিকেলেই ওই বিচারককে স্ট্যান্ড রিলিজের খবর আসে। পরে নতুন বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-২ নাহিদ নাসরিন। জামিন নামঞ্জুরের চার ঘণ্টা পর নতুন বিচারক আসামিদের জামিন দিয়েছেন।
দুদকের দেওয়া দুর্নীতির তিনটি মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আউয়াল ও তার স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লায়লা পারভীন উচ্চ আদালতের আদেশে আট সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। গতকাল তারা স্থায়ী জামিনের জন্য পিরোজপুরের আদালতে উপস্থিত হন এবং জামিন আবেদন করেন।
দুপুর ১২টার দিকে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশের ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে হট্টগোল শুরু করেন। তারা জামিন নাকচ পুনর্বিবেচনার দাবি করেন। তারা আদালতে বলেন, জামিন না পেয়ে তাদের দু'জন মক্কেলই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে তাদের চিকিৎসার জন্য ডিভিশনসহ হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতির আবেদন করা হলে বিচারক এ আবেদন মঞ্জুর করেন। তার পরও এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন আউয়াল দম্পতির আইনজীবী ও সমর্থকরা।
এ ঘটনার পর বিকেলে জজ আব্দুল মান্নানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার নির্দেশ এলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-২ নাহিদ নাসরিনকে তার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। নতুন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ নাহিদ নাসরিনের আদালতে বিকেলেই একেএমএ আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনের পক্ষে ফের জামিন আবেদন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আসামিদের জামিনের আদেশ দেন।
এর আগে আউয়ালের সমর্থক আইনজীবীরা এজলাসে হট্টগোলের পাশাপাশি জেলা জজের আদালত বর্জনসহ জামিন না দেওয়া পর্যন্ত আদালত চত্বরে অবস্থান করার ঘোষণা দেন। জামিনের আবেদন নাকচের খবরে পিরোজপুর-হুলারহাট সড়ক, পিরোজপুর-পাড়েরহাট সড়কসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। শহরে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের হয় এবং দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। নেতাকর্মীরা হরতালের স্লোগান দিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন। এ ঘটনায় সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণ ও এলাকায় পুলিশ ও র্যাবের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। এ ছাড়া শহরের প্রধান প্রধান সড়কে পুলিশ প্রহরা জোরদার ও র্যাবের টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিচারককে স্ট্যান্ড রিলিজ করে মন্ত্রণালয়ে যোগদানের বিষয়ে ঢাকার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আদালতের এক কর্মকর্তা।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও একেএমএ আউয়ালের আইনজীবী শহিদুল হক পান্না জানান, আদালত জামিন দিয়ে আইনের সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আউয়াল দম্পতির বিরুদ্ধে দুদক একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়েছে। সমাজে এবং রাজনৈতিকভাবে তাদের হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মামলা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তাকে বুধবার দুপুরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের দেওয়া দুর্নীতির তিনটি মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আউয়াল ও তার স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লায়লা পারভীন উচ্চ আদালতের আদেশে আট সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। গতকাল তারা স্থায়ী জামিনের জন্য পিরোজপুরের আদালতে উপস্থিত হন এবং জামিন আবেদন করেন।
দুপুর ১২টার দিকে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশের ঘটনায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে হট্টগোল শুরু করেন। তারা জামিন নাকচ পুনর্বিবেচনার দাবি করেন। তারা আদালতে বলেন, জামিন না পেয়ে তাদের দু'জন মক্কেলই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে তাদের চিকিৎসার জন্য ডিভিশনসহ হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতির আবেদন করা হলে বিচারক এ আবেদন মঞ্জুর করেন। তার পরও এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন আউয়াল দম্পতির আইনজীবী ও সমর্থকরা।
এ ঘটনার পর বিকেলে জজ আব্দুল মান্নানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করার নির্দেশ এলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-২ নাহিদ নাসরিনকে তার দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। নতুন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ নাহিদ নাসরিনের আদালতে বিকেলেই একেএমএ আউয়াল ও তার স্ত্রী লায়লা পারভীনের পক্ষে ফের জামিন আবেদন করা হয়। ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আসামিদের জামিনের আদেশ দেন।
এর আগে আউয়ালের সমর্থক আইনজীবীরা এজলাসে হট্টগোলের পাশাপাশি জেলা জজের আদালত বর্জনসহ জামিন না দেওয়া পর্যন্ত আদালত চত্বরে অবস্থান করার ঘোষণা দেন। জামিনের আবেদন নাকচের খবরে পিরোজপুর-হুলারহাট সড়ক, পিরোজপুর-পাড়েরহাট সড়কসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। শহরে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের হয় এবং দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। নেতাকর্মীরা হরতালের স্লোগান দিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেন। এ ঘটনায় সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণ ও এলাকায় পুলিশ ও র্যাবের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়। এ ছাড়া শহরের প্রধান প্রধান সড়কে পুলিশ প্রহরা জোরদার ও র্যাবের টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিচারককে স্ট্যান্ড রিলিজ করে মন্ত্রণালয়ে যোগদানের বিষয়ে ঢাকার আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আদালতের এক কর্মকর্তা।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও একেএমএ আউয়ালের আইনজীবী শহিদুল হক পান্না জানান, আদালত জামিন দিয়ে আইনের সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আউয়াল দম্পতির বিরুদ্ধে দুদক একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়েছে। সমাজে এবং রাজনৈতিকভাবে তাদের হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মামলা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তাকে বুধবার দুপুরের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
