ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রির ধুম নবাবগঞ্জের ফুটপাতে

ভাপা ও চিতই পিঠা বিক্রির ধুম নবাবগঞ্জের ফুটপাতে
×

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার একটি দোকানে চলছে শীতের পিঠা বিক্রি - সমকাল

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ১২:০০

পৌষের মাঝামাঝি এসে ঢাকার নবাবগঞ্জে দেখা দিয়েছে ঘন কুয়াশা। জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এরই মধ্যে সড়কের পাশের ফুটপাতে জমে উঠেছে চিতই ও ভাপা পিঠা বিক্রি। রসুন-মরিচবাটা, শুঁটকি ভর্তা, ধনিয়াপাতা ভর্তা ও সর্ষেবাটার সঙ্গে চিতই পিঠা খাওয়ার লোভ সামলানোই দায়। সেই সঙ্গে কোড়ানো নারকেল-খেজুর গুড় দিয়ে তৈরি নতুন চালের ভাপা পিঠা খাচ্ছেন পথচারীরা।

পিঠা বিক্রেতাদের ব্যস্ততা শেষ বিকেল থেকে কোথা কোথাও চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। অলিগলিতে ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকানে এখন ক্রেতাদের ভিড়। পিঠা খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলার আঁচে হাতও গরম করে নেন কেউ কেউ।

সরেজমিন উপজেলা সদর, বাগমারা বাজার, কাশেমপুর, আগলা বাসস্ট্যান্ড, গালিমপুর স্ট্যান্ড, কোমরনগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, টিকিটপুর স্ট্যান্ড, মাঝিরকান্দা বাসস্ট্যান্ড, বান্দুরা বাসস্ট্যান্ড, আলালপুর বাজার, খানেপুর বাজার, বেড়িবাঁধ এলাকায় কয়েকশ ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীকে পিঠা বিক্রিতে ব্যস্ত দেখা যায়।

বারোয়াখালী বাজারে ১০ বছর ধরে পিঠা বিক্রি করেন মো. আলম হোসেন। তিনি বলেন, শীত মৌসুমে ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠা বিক্রি করছেন তিনি।

জয়নাল আবেদীন নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, দিনে গড়ে ৩০০ ভাপা পিঠা বিক্রি করেন। এর জন্য নতুন চাল, নারকেল ও খেজুর গুড় সংগ্রহ করেন আগের দিন। নানা পদের ভর্তার সঙ্গে গড়ে ২০০ চিতই পিঠা বিক্রি হয়।

নবাবগঞ্জ চৌরাস্তায় পিঠাবিক্রেতা ওসমান বলেন, গড়ে ৫০০ পিঠা বিক্রি করেন তিনি। কয়েক দিন ধরে ঠান্ডা বাড়ায় পিঠার চাহিদা বেড়ে গেছে। দিনে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা আয় হচ্ছে তাঁর।

নবাবগঞ্জ বাজারে কথা হয় পিঠা খেতে আসা মুরাদ, মামুন, আশিকের সঙ্গে। তাঁরা বলেন, শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম ভাপা পিঠা খাওয়ার মজাই আলাদা। দাম কম এবং খেতেও সুস্বাদু। তাই বন্ধুরা মিলে এসেছিলেন পিঠা খেতে।

বাগমারা বাজারে পিঠা খাচ্ছিলেন বৃদ্ধ আলী হোসেন। তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে শীত পড়েছে। সঙ্গে ঠান্ডা বাতাসও বইছে। তাই সন্ধ্যায় গরম গরম পিঠা খেতে এসেছেন।

আরও পড়ুন

×