ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রংপুরে শুরু বিভাগীয় ইজতেমা প্রথম দিনে দুজনের মৃত্যু

রংপুরে শুরু বিভাগীয় ইজতেমা প্রথম দিনে দুজনের মৃত্যু
×

রংপুর নগরীর আমাশু কুকরুল এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বিভাগীয় ইজতেমা সমকাল

রংপুর অফিস

প্রকাশ: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৭:৫৭

| প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরে শুরু হওয়া বিভাগীয় ইজতেমার প্রথম দিনে দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে নগরীর আমাশু কুকরুল এলাকায় শুরু হয় ইজতেমা। এদিন দুপুর পর্যন্ত দুজন মুসল্লি মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ইজতেমার মাঠের ৬ নম্বর হালকার জিম্মাদার ইঞ্জিনিয়ার আবুল হোসেন।
মৃত মুসল্লিরা হলেন– রংপুরের পীরগঞ্জ থানার সাঈদুর রহমান ও টাঙ্গাইলের তারা মিয়া। এদের মধ্যে তারা মিয়া ৪০ দিনের চিল্লায় রংপুর এসে ইজতেমায় অংশ নিয়েছিলেন। ইজতেমা ময়দানে জোহরের নামাজের পর তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বয়স ও ঠান্ডাজনিত কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে। 
৬ নম্বর হালকার জিম্মাদার ইঞ্জিনিয়ার আবুল হোসেন জানিয়েছেন, জানাজার পর ওই দুই মুসল্লির মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পরশুরাম ওসি মাইদুল ইসলামের ভাষ্য, ইজতেমার মাঠে শ্বাসকষ্টজনিত কারণে ওই দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। দুজনের মৃত্যুই স্বাভাবিকভাবে হয়েছে বলেও জানান তিনি। 
বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া তিন দিনের ইজতেমা শেষ হবে শনিবার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে। আমবয়ানে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে মাওলানা আবদুল কাদের বলেন, মহান আল্লাহ্‌ ও নবী-রাসুলের হুকুম-আহকাম মেনে চলার মধ্যেই ইহকাল ও পরকালে সুখ-শান্তি রয়েছে। 

ইতোমধ্যে রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে আসা মুসল্লিদের ঢল নেমেছে ইজতেমা মাঠে। দেশীয় মুসল্লিদের সঙ্গী হয়েছেন ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে তাবলিগ জামাতে আসা মুসল্লিরা। শুক্রবার এখানে লক্ষাধিক মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করবেন বলে আশাবাদী আয়োজকেরা।
আয়োজক কমিটির সদস্য খালেকুজ্জামান রাজা বলেন, প্রায় ২০০ বিদেশি মেহমান এই ইজতেমায় অংশ নেবেন। এবার জেলা ইজতেমার পরিবর্তে আয়োজিত বিভাগীয় ইজতেমায় আট জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নিচ্ছেন। মাঠের ধারণক্ষমতা পাঁচ লাখ হলেও এবার ১০ লাখ মুসল্লির সমাগম হবে বলে আশা করছেন। আগামী শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে ইজতেমার কার্যক্রম শেষ হবে। পরে সেখান থেকে হাজারো মুসল্লি মানুষকে দ্বীনের দাওয়াত দেওয়ার জন্য চিল্লার উদ্দেশে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়বেন।

আরও পড়ুন

×