ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ে শরতের ভোরে ঘন কুয়াশার চাদর

পঞ্চগড়ে শরতের ভোরে ঘন কুয়াশার চাদর
×

পঞ্চগড়ে শরতের মাঝামাঝি দেখা মিলল ঘন কুয়াশার। ছবি: সমকাল

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:০২ | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৭:২৫

পঞ্চগড়ে শরতের মাঝামাঝি দেখা মিলল ঘন কুয়াশার। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায় ঘন কুয়াশার চাদর। ঘন কুয়াশার কারণে কয়েক হাত দূরেও ঠিকঠাক দেখা যাচ্ছিল না। এমনকি সড়কে যান চলাচলেও সাবধানতা অবলম্বন করতে হয় চালকদের। অনেকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চালিয়েছেন গাড়ি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো দেখা দিলে ধীরে ধীরে কুয়াশা কাটতে শুরু করে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

স্থানীয় প্রবীণরা এই অকাল ঘন কুয়াশাকে দেখছেন শীতের আগাম বার্তা হিসেবে। তারা বলছেন, সেপ্টেম্বর মাসে এত ঘন কুয়াশা আগে দেখা যায়নি। পঞ্চগড় উপজেলা সদরের হাফিজাবাদ এলাকার রহিমুল ইসলাম বলেন, ইদানীং প্রায়ই ভোরবেলা কুয়াশা দেখা যায়। তবে আজকের (মঙ্গলবার) কুয়াশা যেন শীতকালের আমেজ এনে দিল। এমনকি ভোরে হালকা শীত শীত অনুভূতিও ছিল। অথচ শীত আসতে এখনও কয়েক মাস বাকি।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া এবং এর আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, শরৎকালের শুরুতে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা ও নিষ্ক্রিয়তার প্রভাবে এমন আবহাওয়া তৈরি হয়। এর সঙ্গে আকাশে দীর্ঘ সময় মেঘের অবস্থান এবং হঠাৎ মেঘ সরে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার হলেও কুয়াশার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে সূর্য ওঠার পর দ্রুত কুয়াশা কেটে গিয়ে স্বাভাবিক রোদ দেখা যায়। উত্তরাঞ্চলে মূলত শরৎকালের শুরুতে শীতের আগমনী বার্তা পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, ঘন কুয়াশার এই সময়ে সাধারণত বৃষ্টির পূর্বাভাস তেমন একটা থাকে না। তবে নির্দিষ্ট দূরত্বে বৃষ্টিপাত হতেও পারে। বৃষ্টি হলে সেটি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট কোনো এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টিপাতও হতে পারে।
 

আরও পড়ুন

×