মশার লার্ভা খুঁজতে ১২ ম্যানহোল পরীক্ষা, পাওয়া যায়নি কিছুই
ছবি-সংগৃহীত
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২২:০৭ | আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৩:০৭
নির্মাণাধীন ম্যানহোলে এডিস মশার লার্ভা রয়েছে কিনা– তা জানতে বুধবার যৌথ পরীক্ষা চালিয়েছে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ও ওয়াসা। প্রথম দিনে নগরীর হাজী মহসিন রোড, দিলখোলাসহ বিভিন্ন এলাকার ১২টি ম্যানহোলের পানি পরীক্ষা করা হয়। একটিতেও মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি।
গত কয়েক দিন ধরে খুলনা ওয়াসার নির্মাণাধীন ম্যানহোল ও পাইপলাইনে এডিস মশার বংশ বিস্তার ঘটছে বলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছিল। সে আলোচনার জেরে কয়েকটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যম খবরও প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ ওই পরীক্ষা চালানো হয়।
খুলনা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খান সেলিম আহমদ জানান, সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ম্যানহোল এবং পাইপলাইনে এডিস মশার বংশ বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানসহ উভয় সংস্থার কর্মকর্তারা যৌথভাবে ম্যানহোল পর্যবেক্ষণে বের হন। প্রথম দিনে ১২টি ম্যানহোল পরীক্ষা করে কোথাও মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি। উল্টো বেশির ভাগ পানির মান ভালো পাওয়া গেছে। তারপরও ম্যানহোলে মশা নিধনের লার্ভিসাইট দেওয়া হয়েছে।
কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দেশে যে কয়টি শহরে ডেঙ্গু জ্বরের ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে, তার মধ্যে খুলনাও রয়েছে। ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে কেসিসি গত মে মাসের শুরু থেকে সর্বশক্তি নিয়োজিত করে কাজ করছে। মশার লার্ভা ও উড়ন্ত মশা নিধনে নগরজুড়ে ওষুধ স্প্রে করার পাশাপাশি ঝোপঝাড় ও কচুরিপানা অপসারণ, ড্রেনের পেড়িমাটি উত্তোলন, জলাবদ্ধ পানি অপসারণসহ জনগণকে সচেতন করার জন্য লিফলেট বিতরণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা করা হয়। সর্বশেষ বিদ্যমান জনবলের পাশাপাশি শুধু ওষুধ স্প্রে করার কাজে প্রতি ওয়ার্ডে অতিরিক্ত পাঁচজন করে লোক নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, বুধবার থেকে নগরীতে বিদ্যমান ১৮ হাজার ম্যানহোলে মশার লার্ভা আছে কিনা– জানতে ও উড়ন্ত মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু হয়েছে।
নজরুল ইসলাম বাড়ির আঙিনা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সীমানার মধ্যে নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার প্রতি আহ্বান জানান এবং এ কাজে সিটি করপোরেশন পাশে থাকবে বলে উল্লেখ করেন।