ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসলামী ব্যাংকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

ইসলামী ব্যাংকে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
×

প্রতীকী ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:২৩

ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আবারও সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার সকালে এস আলমের সময়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে নিয়োগ পাওয়া চাকরিচ্যুতদের একাংশের সঙ্গে সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুই পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৭টায় মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে পটিয়া অঞ্চল থেকে আসা কিছু সাবেক কর্মী চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান নেন। এ সময় গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা সেখানে অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেন। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হন।

গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুর উন নবী মানিক সাংবাদিকদের বলেন, অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে ব্যাংকের কোনো সম্পর্ক নেই। ব্যাংকটির বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র করতে তারা অবস্থান নিয়েছেন। আমরা যখন শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছি, তখন পুলিশের ছত্রছায়ায় আমাদের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি জানান, পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আরও ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন, তারা চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। যারা পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

অন্যদিকে চাকরিচ্যুতদের ২৫ জনের ওপর হামলা হয়েছে বলে দাবি করেন শহিদুল ইসলাম নামে সাবেক এক কর্মী। তিনি বলেন, আমরা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি নিয়ে দাঁড়িয়েছি। উপস্থিত হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা আমাদের ওপর হামলা চালান। পুলিশ দিয়ে আমাদের সরিয়ে দিয়েছে। ২০ থেকে ২৫ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

পরে সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা ইসলামী ব্যাংকের সামনে এবং চাকরিচ্যুত কর্মীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন। বিকেল ৩টার দিকে উভয় পক্ষই তাদের অবস্থান শেষে চলে যায়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মহসীন আল মুরাদ বলেন, সকালে সংঘর্ষের সময় পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে দুই পক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থান নেয়। পরে বিকেলে তারা চলে যায়।

আরও পড়ুন

×