ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভালোবাসার সম্পর্ক যত্ন ও সম্মানে টেকে। মান-অভিমান-ঝগড়া যাই হোক না কেন, সঙ্গীকে অশ্রদ্ধা করা যাবে না। এমন কিছু কথা বলা যাবে না, যা শুনলে তার মন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ঝগড়ার সময় সেসব কথা বললে হুট করে সম্পর্ক না ভাঙলেও, সঙ্গীর মনে আপনার প্রতি শ্রদ্ধা কমতে থাকবে। ভেতরের টান ধীরে ধীরে কমে যাবে।
কিছু মানুষ আছেন, যারা নতুন যেকোনো মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যান। তারা সব সময় যে আত্মবিশ্বাসী হোন বিষয়টি এমন নয়। তারা জানেন কীভাবে অন্যের সঙ্গে সহজে সংযোগ তৈরি করতে হয়, কীভাবে বন্ধু বানাতে হয়। মূলত এগুলো চর্চার মাধ্যমেই শেখা যায়।
নার্সিসিস্টরা নিজের সম্পর্কে অবাস্তব ও উঁচু ধারণা পোষণ করেন। নিজের কাজ, রূপ-গুণে অতিমুগ্ধ থাকেন। নিজেদের যোগ্যতা বা সাফল্যকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে জাহির করেন এবং নিজেকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করেন।
সম্পর্ক টেকে বোঝাপড়ায়, যত্নে। নিত্যদিনের চলাফেরায়, যোগাযোগে সঙ্গীর সঙ্গে এমন আচরণ করা ঠিক নয়, যা তাকে ছোট করে।
শিশুর অতিরিক্ত ঘাম হলে, শ্বাস নিতে অসুবিধা হলে, পেট ব্যথা-মাথাব্যথা-বমি বমি ভাব বা বমি হলে সচেতন হোন। উদ্বেগ শিশুর ঘুম ও ক্ষুধার উপর প্রভাব ফেলে।
প্রতিটি সম্পর্কই আমাদের কিছু না কিছু শিখিয়ে দেয়। এতে থাকে বদলে যাওয়া এবং নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার গল্প। সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের মধ্যে বেশ আলোচিত একটি ধারণা হলো “টুইন ফ্লেম”।
শিশুরা না ঘুমালে বাবা মায়েরা অস্থির হয়ে যান। আর পর্যাপ্ত ঘুমালে অনেকটা শান্তিতে থাকেন। ভালো থাকে শিশুর শরীরও। সদ্যোজাত শিশু দিনে ১৭-১৮ ঘণ্টা ঘুমায়। বয়স যত বাড়ে, ঘুমের সময় কমতে থাকে।
সম্পর্কে যখন সুবাতাস বয় তখন সবকিছুকে বর্ণিল ও সুন্দর মনে হয়। ভালোবাসার মানুষটিকে মনে হয় পৃথিবীর সেরা ব্যক্তি। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। ভালো-মন্দের পার্থক্যও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আঙুল চোষার সমস্যা দূর করতে সন্তানের সারা দিনের কাজকর্মকে একটি নিয়মে বেঁধে দিন। শিশুর আঙুলে কোনো তেতো জিনিস, যেমন নিমপাতার রস বা চিরতার পানি মাখিয়ে রাখুন।
শিশুদের বুদ্ধি বাড়াতে অঙ্ক, মাইন্ড গেইম যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। তবে ঘুমানোর আগে সন্তানের সঙ্গে কিছু কাজ নিয়মিত করলেও তার মেধার বিকাশ ঘটে।
বাবা-মায়ের কিছু অভ্যাস শিশুদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আর এ কারণে অনেকের সন্তান একগুঁয়ে ও জেদি হয়। তারা অভিভাবকের কথা শোনে না, বরং তাদের ভোগান্তিতে ফেলে।