নাদালের বিরুদ্ধে ডোপিংয়ের অভিযোগ
ছবি: ফাইল
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২২ | ০৩:২১ | আপডেট: ১২ জুন ২০২২ | ০৩:২১
ক’দিন আগে রোলা গাঁরোয় রেকর্ড ২২তম গ্র্যান্ডস্লাম জেতেন রাফায়েল নাদাল। ওই প্রাপ্তির পরই তাকে নিয়ে সমালোচনা। মূলত পায়ের বিরল রোগ ‘মুলার ওয়েসিস সিনড্রোমে’ ভুগছেন রাফা। তার বাঁ-পায়ের পাতা ও পেছনের অংশে এই রোগ ছড়িয়েছে। যেটা অন্য পায়েও ছড়িয়ে যেতে পারে। যে কারণে ক্যারিয়ার আর বেশি লম্বা করতে না পারারও শঙ্কা থাকছে।
ওই রোগের কারণে ফ্রান্স ওপেনের ফাইনালে কোর্টে নামার আগে তাকে ব্যথানাশক এক ধরনের ইনজেকশন দিতে হয়েছিল, যা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলেছেন ফ্রান্সের জনপ্রিয় দুই সাইক্লিস্ট থিবো পিনোট ও গুইলমো মার্টিন। তাদের উদ্ধৃতির বরাত দিয়ে সম্প্রতি ফ্রান্সের একাধিক গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন ছাপিয়েছে।
এই দু'জনের যুক্তি যে, ইনজেকশনটি তাদের সাইক্লিংয়ে নিষিদ্ধ, কেউ এই ইনজেকশন নিলে তাকে ডোপিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হতে হয়। সেখানে টেনিস আর সাইক্লিং অনেকটা একই ধরনের খেলা হওয়ার পরও নাদাল কীভাবে সেটি নিয়ে কোর্টে ফাইনাল খেললেন।
যদিও ওয়ার্ল্ড অ্যান্ডি ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা) জানিয়েছে, টেনিসে এই ইনজেকশন মোটেও নিষিদ্ধ নয়। তারা এক বিবৃতিতে জানায়, যে খেলোয়াড় এখানে (রোলা গাঁরো) ১৩টি গ্র্যান্ডস্লাম জিতেতে ডোপ নিতে হয়নি। তার ১৪ নম্বরটি জিততে কেন ডোপ নিতে হবে। আর এই ইনজেকশন নিয়ে টেনিসে কোনো বাধা নেই।
নাদালের ইনজেকশনের ঘোরতর সমালোচনা করে সাইক্লিস্ট মার্টিন বলেন, ‘যদি কোনো সাইক্লিস্ট এমন করত, তাহলে কী হতো! সাইক্লিংয়ে এ ধরনের ইনজেকশন অনেক আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেউ এমন ইনজেকশন নিলে বলা হবে, সে ডোপিং করেছে। কারণ আমাদের খেলাটায় এরকমই একটা সংস্কৃতি বা আবেগ গড়ে তোলা হয়েছে।’
একই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘সবাই নাদালের প্রশংসা করছেন। বলছেন, তীব্র ব্যথা নিয়েও কতদূর গেলেন তিনি। আশা করি এ বিষয়টি নিয়ে ইব্রাও মুখ খুলবে।’ মার্টিনের যুক্তিটা এমন, সাইক্লিং ও টেনিস অনেকটা একই রকম শারীরিক পরিশ্রমের খেলা। একই রকম সহনশীলতা প্রয়োজন। তাই তার দাবি, এটা কেন ডোপিং হবে না।