ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে এআই ইনোভেশন সহযোগী ইজেনারেশন

বাংলাদেশে এআই ইনোভেশন সহযোগী ইজেনারেশন
×

বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডের সহযোগী ইজেনারেশন

সাব্বিন হাসান

প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৪ | ২০:০৬ | আপডেট: ২০ মে ২০২৪ | ১৫:০৩

বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক শিক্ষা ও উদ্ভাবনকে প্রসারিত করতে বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডের (বিডিএআইও) সঙ্গে কাজ করবে ইজেনারেশন।

বাংলাদেশ ওপেন-সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) উদ্যোগে উল্লিখিত অলিম্পিয়াডের ‘এআই ইনোভেশন’ সহযোগী হয়েছে ইজেনারেশন। অংশীদারিত্বের লক্ষ্য, তরুণদের মাঝে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপার সম্ভাবনা সম্পর্কে আগ্রহ বাড়ানো ও চ্যালেঞ্জ নিতে উৎসাহিত করা।

চলতি বছরের ৯ থেকে ১৫ আগস্ট বুলগেরিয়াতে ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াড ইন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (আইওএআই) অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বহু দেশের মাধ্যমিক স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করবে। পরবর্তী প্রজন্মের এআই পথিকৃৎদের কাছে এআই প্রযুক্তির বাস্তবতা উপস্থাপন ও উদ্ভাবনী শক্তিকে জাগ্রত করাই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) উদ্ভাবন সহযোগী হিসেবে ইজেনারেশন এআই, এনএলপি, এমএল, ডেটা সেন্টার, সাইবার সিকিউরিটি, হেলথটেক, ফিনটেক, মর্ডান ওয়ার্কপ্লেস, ক্লাউড বিজনেস অ্যাপ্লিকেশন ও ইআরপি সল্যুশনের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পরিষেবা দিয়ে আসছে।

ইজেনারেশন পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহসান বলেন, ওপেনএআই উদ্ভাবিত চ্যাটজিপিটি (৪.০) ও গুগলের জেমিনি ফ্ল্যাশের (১.৫) মতো প্রযুক্তির যুগে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর সুদক্ষ হওয়া জরুরি। স্থানীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে এআই প্রকল্পের কাজে ইজেনারেশন অভিজ্ঞ। অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক শিক্ষা ও উদ্ভাবনকে প্রসারিত করতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ইজেনারেশন বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে এআই প্রযুক্তির নেতৃত্বগুণ দিতে কাজ করবে।

বাংলাদেশ ওপেন-সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, বাংলাদেশ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডের অংশীদার হিসেবে ইজেনারেশনের অংশীদারিত্ব তরুণ মেধাবীদের উন্নয়ন ও দেশে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করবে। পরবর্তী প্রজন্মের এআই নেতৃত্বকারীদের উৎসাহিত ও অগ্রযাত্রায় যা সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক্স ও মেকাট্রোনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল বলেন, এআই ও রোবটিক্সের মধ্যে সমন্বয়ে প্রতিযোগিতা বিশেষ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে রোবটিক্স ইন্ডাস্ট্রির অটোমেশন, কার্যকারিতা ও রূপান্তরকারী প্রযুক্তিগত সল্যুশনকে পরিচালিত করা সম্ভব। ফলে এআই উদ্ভাবন ও অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও পরিচালক ড. বি এম মইনুল হোসেন বলেন, এআই অলিম্পিয়াডের মতো উদ্যোগ নিত্যনতুন উদ্ভাবনে তরুণদের উৎসাহিত ও পরবর্তী এআই নেতৃত্ব তৈরি সহায়ক। ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার সমন্বয়ে মেধাবী ও দূরদর্শী শিক্ষার্থীদের এআই নেতৃত্বের জন্য সুযোগ্য করা সম্ভব। তাদের জ্ঞানকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে প্রযুক্তিকেন্দ্রিক ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দেওয়া সম্ভব।

প্রসঙ্গত, ইজেনারেশন এআই প্রকল্প যেমন বাংলা টু ইন্টারন্যাশনাল ফোনেটিক অ্যালফাবেট কনভার্টার, স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার, দুবাইয়ে ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের জন্য এআই সল্যুশন ও মিয়ানমারে অটোমেটিক ভেহিকল এন্ট্রির মতো প্রকল্পে বাস্তবায়নে করেছে। প্রতিষ্ঠানের এআইকেন্দ্রিক হসপিটাল অটোমেশন সল্যুশন চিকিৎসা পরিষেবায় অভিনবত্ব দেখিয়েছে।

আরও পড়ুন

×