'নিখোঁজ' উপাচার্যদের খোঁজে
বিশ্ববিদ্যালয়
মহামারির কবলে প্রায় ১০ মাসেরও অধিক সময় বাংলাদেশে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ। ফলে এই দেশের ছেলেমেয়েরা মোটাদাগে ক্ষতির শিকার হয়েছে। এর মধ্যে অনুমতি মিলেছে নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের। ক্লাস বন্ধ থাকলেও সমালোচনা থেকে পিছিয়ে পড়েনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। বছরজুড়েই পত্রিকায় কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের 'আমলনামা' উঠে এসেছে। শিক্ষার্থীশূন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যদের দাপটে করোনাভাইরাসের চেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছে শিক্ষার পরিবেশ। একের পর এক নোংরামির খবর পত্রিকার পাতায় দেখে আমরা শুধু হতবাকই হচ্ছি না, এই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উচ্চশিক্ষা নিয়ে নানা শঙ্কা উঁকি দিচ্ছে।
শিক্ষা ও গবেষণায় পিছিয়ে পড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে অনিয়ম আর দুর্নীতিতে। এসব নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মধ্যেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন আমাদের কোনো কোনো উপাচার্য। ধরা যাবে না, ছোঁয়াও যাবে না, তারপরও দুর্নীতিবাজরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) করা তদন্তে উঠে আসা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আব্দুস সোবহানের দুর্নীতিনামা প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দেওয়ার ছয় মাস পরও আমরা দৃশ্যমান ব্যবস্থা দেখতে পাইনি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য বিদায়ী উপাচার্য মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান অনিয়মের মালা গেঁথে বিদায় নিয়েছিলেন। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশে পরাঘাত করা এই উপাচার্যের কীর্তিকলাপ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরও দাম্ভিকতার চাদরে মোড়া এই উপাচার্যের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হলো না।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার পরিবেশের অপুষ্টিতে ভুগছে উত্তরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করতে করতে অবসাদ এসে গেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি সম্ভবত 'একজন নিখোঁজ' উপাচার্য হিসেবে পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩শ কার্যদিবসে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২০০ দিন।
একটি পরিবারে বাবার ভূমিকা মুখ্য। বাবা যদি সেই পরিবারকে ছেড়ে আরেক জায়গায় ঘর করেন, তাহলে পরিবারে সেই বাবার গুরুত্ব কমে যায়। বাবা থেকেও বাবার পরিচয় দিতে সন্তানরা অনীহা প্রকাশ করবে। সরকার যখন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, সেই শিক্ষকের দায়িত্ব হলো সেই প্রতিষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকা। বিশ্ববিদ্যালয় তো তার কোনো কোম্পানি নয়, যে ঘরে বসে কোম্পানি দেখভাল করবেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিকের সম্পদ। তার বেতন-ভাতাদি আসে পাবলিকের দেওয়া অর্থে। তিনি যদি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজের কোম্পানি মনে করেন, ঢাকায় বসে নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করেন, তাহলে এমন উপাচার্য দরকার আছে বলে আমরা মনে করি না। সরকার তো তাকে অনাবাসিক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়নি। তাহলে কেন তিনি দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থাকবেন?
চলতি মাসের গোড়ার দিকে দেশের প্রায় সব পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এই উপাচার্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার কথা। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে গিয়ে প্রায় ৪৫টি অনিয়ম ও দুর্নীতিবিষয়ক প্রতিবেদন সরকারের কয়েকটি দপ্তরে জমাও পড়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। গত ১৩ মার্চ সমকালে 'বেগম রোকেয়ার ভিসির দুর্নীতি নিয়ে ৭৯০ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্র' শিরোনামে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে, উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ১১১টি প্রমাণপত্র হাজির করেছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। চরম অসন্তোষের মধ্যে চলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ভেঙে পড়ার আশঙ্কা পুষ্ট হচ্ছে। উপাচার্য অনুগতদের পদোন্নতি, আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার সুবাদে শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন হলেও সিংহভাগই এই উপাচার্যকে 'অথর্ব' উপাচার্য হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। এ কথাও শোনা গেছে, এই উপাচার্যকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্তুতি গাওয়ার জন্য অনেক শিক্ষককে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয়। কেউ যদি উপাচার্য কীর্তন না করেন, তাহলে তাকে উপাচার্যবিরোধী ধরে নিয়ে তার ওপর বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়।
জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে নিজের অনুগতদের দিয়ে যেমন অনেক বিভাগে সভাপতি করার অভিযোগ রয়েছে, তেমনি অবকাঠামোগত উন্নয়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বছরজুড়েই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নিয়ে অসন্তোষের খবর গণমাধ্যমে চাউর হওয়ার পরও সরকারকে কঠোর অবস্থানে যেতে দেখা যায়নি। কিন্তু কেন? প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয় না হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যদি আজ রাজধানীতে হতো, তাহলে এসব অনিয়ম কি সরকার বরদাশত করত? এই উপাচার্যের ক্ষমতার উৎস কী? নিজের অনিয়ম ঢাকতে ক্ষমতাসীন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে উষ্ফ্মা প্রকাশ করা এই উপাচার্য আদৌও কি সরকারের মঙ্গল চান? ইউজিসির নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো এই উপাচার্য কি সরকারের কাঠামোর বাইরে?
কয়েক বছর ধরে অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ কাঁধে নিয়ে এই শিক্ষক নিজের সম্মান সমুন্নত রাখতে পারছেন কিনা। তবে তিনি যে বিতর্কিত হয়ে গেছেন, সেটি বোঝানোর জন্য শেষ পর্যন্ত সরকার হস্তক্ষেপ করবে কিনা তা দেখার বিষয়। আমরা চাই না, একটি বিশ্ববিদ্যালয় এভাবে অনাবাসিক উপাচার্য দিয়ে চলুক। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ হোক। বিশ্ববিদ্যালয় ফিরে পাক প্রাণ- এমন প্রত্যাশা শুভবোধসম্পন্ন সবারই।
গবেষক, ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান
শিক্ষা ও গবেষণায় পিছিয়ে পড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে অনিয়ম আর দুর্নীতিতে। এসব নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মধ্যেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন আমাদের কোনো কোনো উপাচার্য। ধরা যাবে না, ছোঁয়াও যাবে না, তারপরও দুর্নীতিবাজরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) করা তদন্তে উঠে আসা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আব্দুস সোবহানের দুর্নীতিনামা প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দেওয়ার ছয় মাস পরও আমরা দৃশ্যমান ব্যবস্থা দেখতে পাইনি। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সদ্য বিদায়ী উপাচার্য মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান অনিয়মের মালা গেঁথে বিদায় নিয়েছিলেন। শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশে পরাঘাত করা এই উপাচার্যের কীর্তিকলাপ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরও দাম্ভিকতার চাদরে মোড়া এই উপাচার্যের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হলো না।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার পরিবেশের অপুষ্টিতে ভুগছে উত্তরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ করতে করতে অবসাদ এসে গেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি সম্ভবত 'একজন নিখোঁজ' উপাচার্য হিসেবে পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩শ কার্যদিবসে উপস্থিত ছিলেন মাত্র ২০০ দিন।
একটি পরিবারে বাবার ভূমিকা মুখ্য। বাবা যদি সেই পরিবারকে ছেড়ে আরেক জায়গায় ঘর করেন, তাহলে পরিবারে সেই বাবার গুরুত্ব কমে যায়। বাবা থেকেও বাবার পরিচয় দিতে সন্তানরা অনীহা প্রকাশ করবে। সরকার যখন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনার দায়িত্ব দেয়, সেই শিক্ষকের দায়িত্ব হলো সেই প্রতিষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকা। বিশ্ববিদ্যালয় তো তার কোনো কোম্পানি নয়, যে ঘরে বসে কোম্পানি দেখভাল করবেন। এই বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিকের সম্পদ। তার বেতন-ভাতাদি আসে পাবলিকের দেওয়া অর্থে। তিনি যদি বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজের কোম্পানি মনে করেন, ঢাকায় বসে নির্দেশনায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করেন, তাহলে এমন উপাচার্য দরকার আছে বলে আমরা মনে করি না। সরকার তো তাকে অনাবাসিক উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়নি। তাহলে কেন তিনি দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থাকবেন?
চলতি মাসের গোড়ার দিকে দেশের প্রায় সব পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এই উপাচার্যের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার কথা। বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে গিয়ে প্রায় ৪৫টি অনিয়ম ও দুর্নীতিবিষয়ক প্রতিবেদন সরকারের কয়েকটি দপ্তরে জমাও পড়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। গত ১৩ মার্চ সমকালে 'বেগম রোকেয়ার ভিসির দুর্নীতি নিয়ে ৭৯০ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্র' শিরোনামে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে, উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ১১১টি প্রমাণপত্র হাজির করেছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। চরম অসন্তোষের মধ্যে চলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ভেঙে পড়ার আশঙ্কা পুষ্ট হচ্ছে। উপাচার্য অনুগতদের পদোন্নতি, আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার সুবাদে শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন হলেও সিংহভাগই এই উপাচার্যকে 'অথর্ব' উপাচার্য হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। এ কথাও শোনা গেছে, এই উপাচার্যকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্তুতি গাওয়ার জন্য অনেক শিক্ষককে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয়। কেউ যদি উপাচার্য কীর্তন না করেন, তাহলে তাকে উপাচার্যবিরোধী ধরে নিয়ে তার ওপর বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়।
জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে নিজের অনুগতদের দিয়ে যেমন অনেক বিভাগে সভাপতি করার অভিযোগ রয়েছে, তেমনি অবকাঠামোগত উন্নয়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বছরজুড়েই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নিয়ে অসন্তোষের খবর গণমাধ্যমে চাউর হওয়ার পরও সরকারকে কঠোর অবস্থানে যেতে দেখা যায়নি। কিন্তু কেন? প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিশ্ববিদ্যালয় না হয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি যদি আজ রাজধানীতে হতো, তাহলে এসব অনিয়ম কি সরকার বরদাশত করত? এই উপাচার্যের ক্ষমতার উৎস কী? নিজের অনিয়ম ঢাকতে ক্ষমতাসীন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে উষ্ফ্মা প্রকাশ করা এই উপাচার্য আদৌও কি সরকারের মঙ্গল চান? ইউজিসির নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো এই উপাচার্য কি সরকারের কাঠামোর বাইরে?
কয়েক বছর ধরে অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ কাঁধে নিয়ে এই শিক্ষক নিজের সম্মান সমুন্নত রাখতে পারছেন কিনা। তবে তিনি যে বিতর্কিত হয়ে গেছেন, সেটি বোঝানোর জন্য শেষ পর্যন্ত সরকার হস্তক্ষেপ করবে কিনা তা দেখার বিষয়। আমরা চাই না, একটি বিশ্ববিদ্যালয় এভাবে অনাবাসিক উপাচার্য দিয়ে চলুক। উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম-স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ হোক। বিশ্ববিদ্যালয় ফিরে পাক প্রাণ- এমন প্রত্যাশা শুভবোধসম্পন্ন সবারই।
গবেষক, ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান
