৮০ হাজার পরিবার পেল খাদ্যসামগ্রী
করোনাকালে আল মানাহিলের মানব সেবা
গরিবদের জন্য সৌদি বাদশার দেওয়া খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ অন্যরা-সমকাল
অ্যাম্বুলেন্স আর কাফনের কাপড় নিয়ে সদা প্রস্তুত থাকে ২০-২২ জনের একটি স্বেচ্ছাসেবক দল। করোনায় মারা যাওয়া রোগী যে ধর্মেরই হোক না কেন, মরদেহের গোসল দেওয়া থেকে শুরু করে লাশ দাফন পর্যন্ত সব কাজই করেন দলের সদস্যরা। চট্টগ্রামে আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের হয়ে এসব মানবিক কাজ নিখুঁতভাবে করছেন এই স্বেচ্ছাসেবকরা। করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মানবিক এ কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি আল মানাহিল ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামসহ সারাদেশে অসচ্ছল পরিবারের মধ্যে ৮০ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। প্রতি প্যাকেটে ২৪ কেজি করে খাদ্যসামগ্রী রয়েছে।
সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছে, প্রতি প্যাকেটে থাকা খাদ্যসামগ্রীর দাম ২ হাজার টাকা। সে হিসাবে ১৬ কোটি টাকার খাদ্যপণ্য ইতোমধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করেছে আল মানাহিল ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে সম্প্রতি চট্টগ্রামে সৌদি বাদশার দেওয়া খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এ সময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাসসহ আল মানাহিল ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সৌদি বাদশা কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে বাংলাদেশে ফুডপ্যাক প্রকল্প-২০২১-এর আওতায় এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। যাতে লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছে মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ ও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর রিলিফ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। সহযোগী পার্টনার হিসেবে আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের হাত ঘুরে দেওয়া ৮০ হাজার প্যাকেটের মধ্যে কক্সবাজার ও ভাসানচরে থাকা রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করা হয় ৪০ হাজার প্যাকেট। আর চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসচ্ছল পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ৪০ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী। প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ৩ কেজি, চিনি ৩ কেজি ও এক কেজি লবণ। খাদ্যসামগ্রীর যথাযথ বিতরণ নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিতরণ অনুষ্ঠানের একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন ও কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের সৌদি প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। ১৯৯৮ সালে জনসেবার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের নানুপুর জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়ার তৎকালীন প্রধান পরিচালক মাওলানা জমির উদ্দিন (রহ.) আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন চালু করেন। বাবার স্মৃতিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তার মৃত্যুর পর এই প্রতিষ্ঠানের হাল ধরেন তারই সাত সন্তান। করোনাকালে তাদের সেবাকর্ম বেশ প্রশংসিত হয়।
সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছে, প্রতি প্যাকেটে থাকা খাদ্যসামগ্রীর দাম ২ হাজার টাকা। সে হিসাবে ১৬ কোটি টাকার খাদ্যপণ্য ইতোমধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করেছে আল মানাহিল ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে সম্প্রতি চট্টগ্রামে সৌদি বাদশার দেওয়া খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এ সময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাসসহ আল মানাহিল ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সৌদি বাদশা কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের অর্থায়নে বাংলাদেশে ফুডপ্যাক প্রকল্প-২০২১-এর আওতায় এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। যাতে লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছে মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ ও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর রিলিফ ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। সহযোগী পার্টনার হিসেবে আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের হাত ঘুরে দেওয়া ৮০ হাজার প্যাকেটের মধ্যে কক্সবাজার ও ভাসানচরে থাকা রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ করা হয় ৪০ হাজার প্যাকেট। আর চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসচ্ছল পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে ৪০ হাজার প্যাকেট খাদ্যসামগ্রী। প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ৩ কেজি, চিনি ৩ কেজি ও এক কেজি লবণ। খাদ্যসামগ্রীর যথাযথ বিতরণ নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিতরণ অনুষ্ঠানের একেবারে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন ও কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের সৌদি প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকেন। ১৯৯৮ সালে জনসেবার লক্ষ্যে চট্টগ্রামের নানুপুর জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়ার তৎকালীন প্রধান পরিচালক মাওলানা জমির উদ্দিন (রহ.) আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন চালু করেন। বাবার স্মৃতিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তার মৃত্যুর পর এই প্রতিষ্ঠানের হাল ধরেন তারই সাত সন্তান। করোনাকালে তাদের সেবাকর্ম বেশ প্রশংসিত হয়।
