মুক্তি পেয়েছেন খালাসের আদেশপ্রাপ্ত আসামি মাকসুদ
মাকসুদ আলম
ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৩৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় খালাসের আদেশপ্রাপ্ত মাকসুদ আলম ওরফে মাকসুদ আলী কাউন্সিলর সাড়ে সাত বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি ফেনী জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে নিজ এলাকায় ফিরে যান।
মাকসুদ আলী কাউন্সিলর ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চর গণেশ এলাকার চার নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আহসান উল্যাহর ছেলে।
মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা হয়। এ মামলায় ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ১৬ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম এর মৃত্যুদণ্ড এবং চারজন আসামি নুর উদ্দিন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ও উম্মে সুলতানা পপিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া। এ ছাড়া মামলার অপর ১০ জন আসামিকে খালাসের আদেশ দেওয়া হয়।
জানা যায়, আলোচিত নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় মাকসুদ আলম ওরফে মাকসুদ কাউন্সিলর, আফসার উদ্দিন, মহিউদ্দিন শাকিল, আব্দুল কাদের, মোহাম্মদ শামীম, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, রুহুল আমিন এবং কামরুন্নাহার মনির খালাসের আদেশ গত রোববার রাতে জেলা কারাগারে পৌঁছে। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার, কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেনী জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. আব্দুল জলিল ও জেলার কাজী মাজহারুল ইসলাম বলেন, নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলায় মাকসুদ আলমের খালাসের আদেশের কপি রোববার রাত ৮টায় ফেনী জেলা কারাগারে পৌঁছে। সে আদেশের আলোকে ১৪ সেপ্টেম্বর মাকসুদ আলমকে কারাগার হতে মুক্তি দেওয়া হয়।
- বিষয় :
- মুক্তি