ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উদ্ভাবনের মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

উদ্ভাবনের মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
×

 গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:৩৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণাগারে উদ্ভাবন হচ্ছে নতুন জাত, কৃষকের কাজে লাগার মতো প্রযুক্তি। সেই গবেষণা ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতিই এবার মিলেছে জাতীয় পর্যায়ে। ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটেগরিতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)।
রাজধানীর নভোথিয়েটারে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত তিন দিনের এ আয়োজনে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি নিয়ে হাজির হয়। মেলায় প্রদর্শিত হয় এক হাজারের বেশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি। সেই বিশাল আয়োজনের মধ্যেই কৃষি, গবেষণা ও খাদ্য নিরাপত্তাকেন্দ্রিক উদ্ভাবন নিয়ে আলাদা করে নজর কাড়ে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনের ঝুলিও বেশ সমৃদ্ধ। এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উদ্ভাবিত হয়েছে ৯৭টি জাত ও ২০টির বেশি প্রযুক্তি। এর মধ্য থেকে মেলায় শীর্ষ ১২টি জাত ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। এসব উদ্ভাবনের বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বাস্তব প্রয়োগযোগ্যতা, সৃজনশীলতা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দর্শনার্থী, শিল্প উদ্যোক্তা ও নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার (জনসংযোগ) মো. রনি ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার জানান, মেলায় শুধু নতুন কিছু উদ্ভাবন করাই নয়, উদ্ভাবনকে কীভাবে মানুষের কাজে এবং বাজারে পৌঁছে দেওয়া যায়– সেই ভাবনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেই বিচারে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগুলোকে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনের তুলনায় অধিক সম্ভাবনাময় ও জনকল্যাণমুখী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরই ফল হিসেবে গত সোমবার সন্ধ্যায় সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটেগরিতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। 

সম্মাননা হিসেবে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ সাফল্য কোনো একক ব্যক্তির নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গবেষণাগার ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমের ফল এই স্বীকৃতি।
 

আরও পড়ুন

×