ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন
×

আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালে হাম-রুবেলা (এম.আর) ক্যাচ-আপ টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ছবি: সমকাল

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:৪৭ | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:০৭

বিভাগীয় পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরের আন্দরকিল্লার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হাম-রুবেলা (এম.আর) ক্যাচ-আপ টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন করেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। হামের প্রাদুর্ভাব রোধে দ্বিতীয় দফায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী বাদ পড়া শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত টিকাদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. একরাম হোসেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আশিক আমান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিভিশনাল কোর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রু চৌধুরী, এসআইএমও ডা. খাদিজা আহমেদ, ইউনিসেফ ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট ডা. সরওয়ার আলম, চিকিৎসক-নার্স প্রমুখ। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় শিশুদেরকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে বাদ পড়া শিশুদের জন্য বিশেষ এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে এক লাখ ৯১ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৪৪ হাজারের বেশি ও মহানগরে ৩২ হাজারের বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে রেলস্টেশন, বাস স্টেশন, নৌ-ঘাটসহ যে কোনো স্থানে কোনো শিশু এ টিকা না পেয়ে থাকলে তাকে ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা হবে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো একজন শিশুও যাতে হামের টিকা থেকে বাদ না থাকে।’

জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. একরাম হোসেন বলেন, ‘হামের ভাইরাস থেকে শিশুদের রক্ষা করতে টিকার কার্যকারিতা অনেক বেশি। বিষয়টিকে তাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে দ্বিতীয় দফায় আবারও টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক অভিভাবক যাতে বাদ পড়া নিজ নিজ সন্তানদের টিকার আওতায় আনেন সেটি আমাদের আহ্বান। এক্ষেত্রে সবার সচেতনতা ও সহযোগিতা জরুরি।’

সিভিল সার্জন কার্র্যালয়ের তথ্যমতে, চট্টগ্রামে প্রতিদিনই গড়ে ৫০ থেকে ৬০ জন শিশু হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×