গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৮ ফিলিস্তিনি নিহত
ছবি- রয়টার্স।
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২২ | ১০:৪১ | আপডেট: ০৫ আগস্ট ২০২২ | ১০:৪৮
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে এক শিশু ও ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের (পিআইজে) কমান্ডার রয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর বিবিসি ও আল-জাজিরার।
হামলায় কমপক্ষে ৪৪ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আজ শুক্রবার ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী এ হামলা চালায়।
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বলছে, ফিলিস্তিনি জঙ্গি গোষ্ঠীর থেকে পাওয়া হুমকির পর তারা এই হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিড বলেছেন, আমরা কোনো 'সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে' এজেন্ডা তৈরি করতে দেবো না। ইসরায়েলের নাগরিকদের রক্ষা করতে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সক্রিয় থাকবে।
আজ স্থানীয় সময় বিকেলে গাজা শহরের কেন্দ্রে একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, একটি ভবনের সপ্তম তলা থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমরা যে টাওয়ারে থাকি সেখানে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আমরা দৌড়ে পালাই। এতে অনেকে হতাহত হন। অনেককে সরিয়ে নিতে দেখেছি।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে কয়েকদিনের উত্তেজনার পরে 'হোম ফ্রন্টে বিশেষ পরিস্থিতি' ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। তারা যুদ্ধবিমান নিয়ে গাজা আক্রমণ করেছে। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর একজন জ্যেষ্ঠ ফিলিস্তিনি নেতাকে গ্রেপ্তারের পর এই উত্তেজনা শুরু হয়।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ হামলার আগে থেকে গাজার চারপাশে রাস্তা বন্ধ করে এবং সীমান্তে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে। ফিলিস্তিনের ইসলামিক জিহাদি গ্রুপকে লক্ষ্য করে চালানো এই হামলাকে 'অপারেশন ব্রেকিং ডন' বলে আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গ্যান্টজ আজ বলেছেন, আমরা সংঘাত চাই না। তবে আমাদের নাগরিকদের রক্ষা করতে যা করা দরকার তা করতে দ্বিধা করব না।
ইসরায়েলের হামলার মূল লক্ষ্য কী ছিল এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে তাৎক্ষণিকভাবে তা বোঝা যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, গাজায় ইসরায়েল ও হামাস গত ১৫ বছরে চারবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু ছোট ছোট সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।