ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওয়াংখেড়ে দেখল দুই ভুবনের দুই রাজার মিলনমেলা

ওয়াংখেড়ে দেখল দুই ভুবনের দুই রাজার মিলনমেলা
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১২:৩২ | আপডেট: ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১২:৪০

কলকাতার বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে লিওনেল মেসির সফরে কোনো ফাঁক রাখেননি মুম্বাইয়ের আয়োজকরা। গতকাল শীতের সন্ধ্যায় জ্যামপ্যাক্ট ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম চোখের সামনে দেখল ফুটবল জাদুকরকে।

কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ভিড়ের কারণে মিনিট দশেকেই বিরক্ত হয়ে বেয়ে গিয়েছিলেন মেসি। সেখানে ওয়াংখেড়েতে মেসি ছিলেন ৬১ মিনিট। মনের আনন্দে ঘুরে বেড়িয়েছেন। আরব সাগরের তীরে মনোমুগ্ধকর সেই আয়োজনে ছিলেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারও। মেসির হাতে ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী জার্সি তুলে দেন শচীন। মেসিও ২০২৬ বিশ্বকাপের একটি বল উপহার দেন ভারতীয় কিংবদন্তিকে।

স্থানীয় সময় বিকেল ৫.৫০ মিনিটে সুয়ারেজ ও ডি’পলকে নিয়ে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন মেসি। কলকাতার মতো সেখানে মেসিকে ঘিরে ছিল না কোনো ভিড়। মন্ত্রী, নেতা, অভিনেতাসহ তারকাদের সবাই ছিলেন গ্যালারিতে। তাই দর্শকদেরও দেখতে কোনো সমস্যা হয়নি। মাঠে প্রবেশ করেই ভারতের সেরা ফুটবলার সুনীল ছেত্রীর সঙ্গে হাত মেলান মেসি। সুনীলকে নিজের সই করা আর্জেন্টিনার জার্সিও উপহার দেন। দুজনে পেনাল্টি শট নেন, গোলও করেন।

অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে ছবি তোলার পর তিন তারকা শট দিয়ে বল গ্যালারিতে পাঠানোর প্রতিযোগিতায় মাতেন। এরপর মাঠের মাঝখানে শিশুদের সঙ্গে পাসিং বল খেলেন মেসি, সুয়ারেজ ও ডি’পল। এর মধ্যে মহারাষ্ট্র সরকারের নারী ফুটবলারদের নিয়ে একটি প্রজেক্টও উদ্বোধন করেন মেসি। 

সবার শেষে সংবর্ধনা দেওয়া হয় তিন ফুটবলারকে। মাঠের মাঝে তৈরি মঞ্চে সস্ত্রীক মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী, শচীন টেন্ডুলকার, ভারতের ফুটবল ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ও তিন ফুটবলার ছিলেন। মেসিকে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে টেন্ডুলকার বলেন, ‘মুম্বাই স্বপ্নের নগরী। এই মাঠে অনেক স্বপ্ন সত্যি হতে দেখেছি। আরও একবার তা দেখলাম। মুম্বাই তিন ফুটবলারকে যে ভালোবাসা দিয়েছে, সেজন্য সবাইকে ধন্যবাদ। মেসির খেলা নিয়ে বলার কিছু নেই। একটা কথাই বলব, দারুণ একজন মানুষ সে।’

৬১ মিনিটের অনুষ্ঠানে কোনো হুড়োহুড়ি তো দূরের কথা, একটিবারের জন্য তাল পর্যন্ত কাটেনি।

আরও পড়ুন

×