অবৈধ ড্রেজারে বালু উত্তোলন চলছেই
রৌমারী
অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চলছে রৌমারীতে। বর্ষা, শীত কিংবা বসন্ত- সব মৌসুমে বিভিন্ন নদনদী ও ফসলি জমিতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে অবাধে চলে বালু উত্তোলন। এতে নদনদীর সঙ্গে ভাঙনের শিকার হচ্ছে শত শত হেক্টর ফসলি জমি, বসতবাড়ি, নদী ও শহর রক্ষা বাঁধ। হুমকির মুখে রয়েছে হাজারও বসতবাড়ি, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শহর ও সরকারের ৩৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রহ্মপুত্রের বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্পটি। স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীসহ সব মহলকে ম্যানেজ করে অনেকটা দাপটের সঙ্গেই লুটের এই মহোৎসবে মেতেছে বালুদস্যুরা। তাই অনেকটা নির্বিঘ্নেই দিনে-রাতে সমানতালে ড্রেজার দিয়ে চলছে ফসলি জমির বুক চিরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। এতে করে শত শত হেক্টর কৃষিজমি বিনষ্ট হচ্ছে।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় প্রতিবছর বন্যার সময় মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হলেও তথাকথিত উন্নয়ন কাজের বুলি তুলে এসব কর্মকাণ্ড চালায় বালুখেকোরা। অবৈধ ড্রেজার মালিকদের বালুগ্রাসী ভূমিকায় অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ মানুষ। এমনকি বালুখেকোদের হাত থেকে রেহাই পায়নি রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কটিও।
উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের বাম তীরের ফুলুয়ারচর নৌকা ঘাট এলাকা, ধনারচর চরের গ্রাম, ধনারচর নতুন গ্রাম, কর্তিমারী নৌকাঘাট এলাকা, কোমরভাঙ্গি পাখিউড়া, বলদমারা ঘাট, ঘুঘুমারী এলাকা, জিঞ্জিরাম নদীর ইজলামারী ব্রিজ, খেওয়ারচর রাবার ড্যাম ব্রিজ, লালকুড়া খেয়াঘাট, বাওয়াইরগ্রাম, সোনাভরী নদীর\হকান্দাপাড়া, চাক্তাবাড়ি এলাকাসহ শতাধিক পয়েন্টে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে বালুদস্যুরা। বালুখেকোরা কর্তিমারী বাজার এলাকায় রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কটিতে সুড়ঙ্গ করে বালু উত্তোলনের পাইপ দিয়ে অবাধে বালু বিক্রি করছে।
এ ছাড়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির বুক চিরে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বিক্রি করছে দেদার। এতে ভাঙনের শিকার হচ্ছে পাশের শত শত বিঘার ফসলি জমি।
বলদমারা ঘাট এলাকার আলতাফ হোসেন, সাজদুল ইসলাম, ধনারচর নতুন গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন, যাদুরচর নতুন গ্রামের আব্দুল খালেক, বাওয়াইর গ্রামের শাহিনুর রহমান, বিক্রিবিলের রাকিবুল ইসলাম, খেওয়ারচরের তছলিম উদ্দিন, ফাতেমা বেগম, আমিনুল ইসলামসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, নদনদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় প্রতিবছর শত শত বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই। বালুদস্যু ও কথিত নেতারা নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে, কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা কখনও চিন্তা করে না। মাঝেমধ্যে প্রশাসন এসে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার বন্ধ করে যেতে না যেতেই আবারও সচল করে প্রভাবশালী বালুখেকোরা।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী যদি নির্দিষ্ট স্থানে ড্রেজিং না করা হয়, তাহলে এটা আশপাশের এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে। অন্যদিকে, যে পরিমাণ ড্রেজিং করার প্রয়োজন, সে পরিমাণ যদি না করা হয়, তাহলে সেটা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এটির প্রভাব উজানের যেসব এলাকা রয়েছে, সেসব এলাকায় পড়ে।\হরৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, মহামারি করোনার কারণে মাঝে কিছুদিন অভিযান বন্ধ ছিল। এখন তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গত দু'দিনে এসিল্যান্ড দ্বারা পাঁচটি অবৈধ ড্রেজার বন্ধ করা হয়েছে।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় প্রতিবছর বন্যার সময় মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হলেও তথাকথিত উন্নয়ন কাজের বুলি তুলে এসব কর্মকাণ্ড চালায় বালুখেকোরা। অবৈধ ড্রেজার মালিকদের বালুগ্রাসী ভূমিকায় অতিষ্ঠ এলাকার সাধারণ মানুষ। এমনকি বালুখেকোদের হাত থেকে রেহাই পায়নি রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কটিও।
উপজেলার ব্রহ্মপুত্রের বাম তীরের ফুলুয়ারচর নৌকা ঘাট এলাকা, ধনারচর চরের গ্রাম, ধনারচর নতুন গ্রাম, কর্তিমারী নৌকাঘাট এলাকা, কোমরভাঙ্গি পাখিউড়া, বলদমারা ঘাট, ঘুঘুমারী এলাকা, জিঞ্জিরাম নদীর ইজলামারী ব্রিজ, খেওয়ারচর রাবার ড্যাম ব্রিজ, লালকুড়া খেয়াঘাট, বাওয়াইরগ্রাম, সোনাভরী নদীর\হকান্দাপাড়া, চাক্তাবাড়ি এলাকাসহ শতাধিক পয়েন্টে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে বালুদস্যুরা। বালুখেকোরা কর্তিমারী বাজার এলাকায় রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কটিতে সুড়ঙ্গ করে বালু উত্তোলনের পাইপ দিয়ে অবাধে বালু বিক্রি করছে।
এ ছাড়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির বুক চিরে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বিক্রি করছে দেদার। এতে ভাঙনের শিকার হচ্ছে পাশের শত শত বিঘার ফসলি জমি।
বলদমারা ঘাট এলাকার আলতাফ হোসেন, সাজদুল ইসলাম, ধনারচর নতুন গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন, যাদুরচর নতুন গ্রামের আব্দুল খালেক, বাওয়াইর গ্রামের শাহিনুর রহমান, বিক্রিবিলের রাকিবুল ইসলাম, খেওয়ারচরের তছলিম উদ্দিন, ফাতেমা বেগম, আমিনুল ইসলামসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, নদনদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় প্রতিবছর শত শত বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেলেও দেখার কেউ নেই। বালুদস্যু ও কথিত নেতারা নিজেদের স্বার্থকে বড় করে দেখে, কিন্তু তারা সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা কখনও চিন্তা করে না। মাঝেমধ্যে প্রশাসন এসে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার বন্ধ করে যেতে না যেতেই আবারও সচল করে প্রভাবশালী বালুখেকোরা।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বিধিমালা অনুযায়ী যদি নির্দিষ্ট স্থানে ড্রেজিং না করা হয়, তাহলে এটা আশপাশের এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে। অন্যদিকে, যে পরিমাণ ড্রেজিং করার প্রয়োজন, সে পরিমাণ যদি না করা হয়, তাহলে সেটা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এটির প্রভাব উজানের যেসব এলাকা রয়েছে, সেসব এলাকায় পড়ে।\হরৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, মহামারি করোনার কারণে মাঝে কিছুদিন অভিযান বন্ধ ছিল। এখন তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোক পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গত দু'দিনে এসিল্যান্ড দ্বারা পাঁচটি অবৈধ ড্রেজার বন্ধ করা হয়েছে।
