ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি
ডেঙ্গু লইয়া বাতচিৎ কম হয় নাই। কিন্তু কথায় চিড়ে ভিজে কি? উহার পরও খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করিয়াছেন, ডেঙ্গু রোধে পদক্ষেপ পর্যাপ্ত নহে। যেই কারণে আমরা দেখিতেছি, প্রতিদিন বাড়িতেছে ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এমনকি এই পর্যন্ত প্রায় ১২শ মানুষের মৃত্যুর পরও কর্তৃপক্ষের টনক নড়িতেছে বলিয়া পরিলক্ষিত হইতেছে না।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি বাস্তবতা স্বীকার করিয়াছেন। বস্তুত সংকট সমাধানে এই স্বীকারোক্তিই জরুরি। আমরা যদি আত্মবিশ্বাস লইয়া মনে করি, যথেষ্ট পদক্ষেপ লওয়া হইয়াছে, উহার পরিণতি কতটা খারাপ হইতে পারে, ডেঙ্গুই তাহার প্রমাণ। পৌরসভা কিংবা সিটি করপোরেশন মশা নিধনে কেন ব্যর্থ হইতেছে, তাহা কর্তৃপক্ষকে উপলব্ধি করিতে হইবে। তাহাদের কৌশল ও ঔষধে কেন মশা কমিতেছে না, উহা পর্যালোচনা করিয়া বাস্তবতার আলোকে পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে হইবে। এই ক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তদারকি ও নজরদারিও গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপলব্ধি কাজে লাগাইয়া সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে। ডেঙ্গুতে নাগরিকের মৃত্যুর এই মিছিল থামাইতেই হইবে।
