ঋণের অর্থ আত্মসাৎ
খুলনায় সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ৭ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি
খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৯:১৫
খুলনায় ঋণের অর্থ আত্মসাতে ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সোনালী ব্যাংকের ৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৭ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদেরকে ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে প্রত্যেককে দুই বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুহা. আদীব আলী এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস, সোনালী ব্যাংক দৌলতপুর শাখার সাবেক গোডাউন কিপার মতিয়ার রহমান, সাবেক অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল, সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রুহুল আমিন, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সিরাজুল ইসলাম ও সাবেক অফিসার অজিত কুমার সরকার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেসার্স ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস পাট কেনার জন্য ব্যাংক থেকে ৪৯ কোটি ৬২ লাখ ১৪ হাজার ২৩৭ টাকা ঋণ নেন। পরে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে পাট না কিনে ঋণের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। যা সুদাসলে দাঁড়ায় ৯২ কোটি ৬৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৫২ টাকা।
এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন ২০১৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মামলা করেন। তদন্ত শেষে তিনি ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার দুই আসামি ইস্টার্ন ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সনজিৎ কুমার দাস ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মানিক চন্দ্র মণ্ডল পলাতক রয়েছেন।
- বিষয় :
- খুলনা
- সোনালী ব্যাংক
- কারাদণ্ড