গোবিন্দগঞ্জে দুর্বৃত্তের হাতে আহত স্কুলছাত্রের মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জ পৌরশহরের শাহপাড়া খলসী এলাকায় দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত স্কুলছাত্র শ্যামল বুধবার দুপুরে হাসপাতালে মারা গেছে। শ্যামল কাইয়াগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে পৌরশহরের খলসী গ্রামের গ্রাম পুলিশ সাদা ফলের ছেলে।
সোমবার রাতে শ্যামল নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। পরদিন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মাথা, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। উদ্ধারের পর তাকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে গতকাল দুপুরে শ্যামল মারা যায়। তার লাশ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত শ্যামলের পরিবারের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা শ্যামলকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় ডোবায় ফেলে রেখে যায়।
সোমবার রাতে শ্যামল নিখোঁজ হয়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। পরদিন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার মাথা, বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। উদ্ধারের পর তাকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে গতকাল দুপুরে শ্যামল মারা যায়। তার লাশ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত শ্যামলের পরিবারের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা শ্যামলকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে অজ্ঞান অবস্থায় ডোবায় ফেলে রেখে যায়।
